হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে একই ফ্লাইটে আসা ৭ যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে মোট ৩৮.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক করা হয়েছে। আটক মদের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
ফ্লাইটটি গত ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। যাত্রীরা ইমিগ্রেশন সম্পন্ন ও ব্যাগেজ সংগ্রহ করে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা সন্দেহভাজন যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশি করে এসব বিদেশী মদ পান।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেল, এয়ারপোর্টের সি-শিফট জানতে পারে, মুম্বাই থেকে ঢাকাগামী Air India-এর AI2183 ফ্লাইটের যাত্রীদের ব্যাগেজে বিদেশি মদ বহন করা হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে পূর্বপরিকল্পিত নজরদারি জোরদার করেন।
ফ্লাইটটি সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটের দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। যাত্রীরা ইমিগ্রেশন সম্পন্ন ও ব্যাগেজ সংগ্রহ করে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় কাস্টমস গোয়েন্দার কর্মকর্তারা সন্দেহভাজন যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশি করেন।
তল্লাশিতে আজমল হকের ব্যাগ থেকে ১০ লিটার, মোজ্জামেল হক ভূঁইয়ার ব্যাগ থেকে ৭ লিটার, মো. ইমরানের ব্যাগ থেকে ৬ লিটার,বাবুল মিয়ার ব্যাগ থেকে ৬ লিটার, মো. নাফিজ সাবাতের ব্যাগ থেকে ৩.৫০ লিটার,আল- আমিন শেখের ব্যাগ থেকে ৩.৫০ লিটার এবং সাদ্দাম হোসেনের ব্যাগ থেকে ৩ লিটার বিদেশি মদ পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে ৭ যাত্রীর কাছ থেকে ৩৮.৫০ লিটার বিদেশি মদ আটক করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৭,৭০,০০০ টাকা। একই আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের একাধিক যাত্রীর ব্যাগেজে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদেশি মদ পাওয়ার ঘটনাটি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
আটক বিদেশি মদের বিষয়ে প্রচলিত কাস্টমস আইন ও বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বিষয়টি সংঘবদ্ধভাবে সংগঠিত কি না এবং এর নেপথ্যে কারা জড়িত- তা উদঘাটনে একটি বিশেষ তদন্ত দল অনুসন্ধান করবে বলেও জানানো হয়।





