বার্সার সঙ্গে ২০৩০ পর্যন্ত চুক্তি সারলেন ‘নীল নদের হালান্ড’

গোল করার দক্ষতায় আর্লিং হালান্ডের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে মিসরের তরুণ স্ট্রাইকার হামজা আব্দেল করিমকে। বার্সেলোনাও তার প্রতিভায় আস্থা রেখে এবার নতুন চুক্তিতে তাকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ধরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

১৮ বছর বয়সী হামজা গত জানুয়ারিতে মিসরের ক্লাব আল আহলি থেকে বার্সেলোনায় যোগ দেন। শুরুতে তাকে রিজার্ভ দলের খেলোয়াড় হিসেবে নেওয়া হলেও গত মৌসুমে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলেন তিনি। জুনে ১৫ লাখ ইউরো প্রাথমিক ফিতে তাকে স্থায়ীভাবে দলে নেয় বার্সেলোনা এবং ২০২৯ সাল পর্যন্ত চুক্তি করে।

এরপর জাতীয় দল ও বার্সেলোনার সিনিয়র দলের হয়ে হামজার পারফরম্যান্স নজর কাড়ে। সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার তার সঙ্গে নতুন চুক্তি করেছে কাতালান ক্লাবটি। চুক্তিতে তার বেতন বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি ১০০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি বাইআউট ক্লজ রাখা হয়েছে।

গত মে মাসে মিসরের জাতীয় দলে অভিষেক হয় হামজার। পাঁচ ম্যাচের মধ্যে চারটিতে মাঠে নামেন তিনি। পরে বার্সেলোনার প্রাক-মৌসুমে চার গোল করে কোচ হান্সি ফ্লিকের নজর কাড়েন।

আগস্টে রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে লা লিগায় অভিষেক হয় তার। চলতি মৌসুমে বার্সেলোনার ছয় ম্যাচের সবকটিতেই স্কোয়াডে ছিলেন এই তরুণ। রাফিনিয়া ও গ্যাব্রিয়েল জেসুসের পর দলের তৃতীয় পছন্দের স্ট্রাইকার হিসেবেও জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

অল্প বয়সে দ্রুত সিনিয়র দলে উঠে আসার পাশাপাশি গোল করার দক্ষতার কারণে হামজাকে ম্যানচেস্টার সিটির তারকা আর্লিং হালান্ডের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। ‘নীল নদের হালান্ড’ ডাকনামটিও পছন্দ হয়েছে হামজার।

হালান্ড সম্পর্কে নিজের মুগ্ধতার কথা জানিয়ে হামজা বলেন, ‘হালান্ড একজন অসাধারণ স্ট্রাইকার। তার অনেক শক্তি রয়েছে। তাকে দেখলে সবসময় এমন কিছু শেখার চেষ্টা করি, যা আমার খেলায় উন্নতি করতে পারে।’

নিজের ডাকনাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা সবাই জানি, সে গোল করায় কতটা ভালো। সে সবসময় সঠিক জায়গায় থাকে। এটি এমন একটি বিষয়, যা শেখা যায়। আমি বুঝতে পারি, কেন আপনারা আমাকে ‘নীল নদের হালান্ড’ বলছেন।”