দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় আসছে ‘মহাদুর্গা’

বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে দেবী দুর্গার আরাধনাকে যুক্ত করে নির্মিত হচ্ছে অডিও-ভিডিও মিউজিক্যাল প্রজেক্ট ‘মহাদুর্গা’। বাংলা শাস্ত্রীয়, লোকজ ও আধুনিক অর্কেস্ট্রেশনের সমন্বয়ে নির্মিত এ প্রযোজনায় দেবী দুর্গার মহিমা, শক্তি, মানবতা, ন্যায়বিচার ও সাহসের পাশাপাশি দেবী দুর্গার কুমারী রূপকে বন্দনা ও আরাধনার কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই চরিত্রটি পর্দায় চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছে নবাগত শিশুশিল্পী আইরা। এছাড়াও পর্দায় দেখা যাবে জনপ্রিয় শিশুশিল্পী “প্রিয়ম” কে। এবং অন্য দু’টি চরিত্রে অভিনয় করেছেন পিযুষ দত্ত ও সঞ্জীবন চক্রবর্তী।

মহাদুর্গা গানটির গীতিকার সঞ্জীবন চক্রবর্তী, সুরকার ভবসিন্ধু সরকার এবং সংগীত প্রযোজনা করেছেন শামীম হাসান। রিদমে জিকু, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার ইফতি খাইরুল আলম শুভ। সংগীত ধারণে যুক্ত রয়েছে স্টুডিও কলোরব।ভিডিও পরিচালনা করছেন অনিক কান্তি সরকার। চিত্রগ্রহণে রফিকুল ইসলাম এবং সম্পাদনা ও রং-বিন্যাসে ফকরুল ইসলাম। পোস্টার ডিজাইন করেছেন মাসুম বিল্লাহ।

‘মহাদুর্গা’য় মোট ১৫জন কণ্ঠ দিয়েছেন মোট। ভবসিন্ধু সরকার, দোলা অধিকারী, শুভ্র সরকার, মৌমিতা বিশ্বাস, এসডি সাগর, সিক্তা সাহা, সোহাগ চন্দ্র সাহা ও তন্বী সাহার পাশাপাশি কোরাসে রয়েছেন সঞ্চয় সরকার, সুস্মিতা মণ্ডল, স্বর্ণালী সরকার তৃষা, শ্রাবণী মৃধা, স্নিগ্ধ বিশ্বাস, অজয় চৌধুরী ও শিমুল সরকার। কিবোর্ডে আছেন কৌশিক আহমেদ অন্তর।

প্রধান পৃষ্ঠপোষক সীমা চক্রবর্তী ও সন্ধ্যা সরকার। সাংস্কৃতিক সংযোগের জন্য হেরিটেজ পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে ঢাকেশ্বরী মন্দির ও রমনা কালী মন্দির। জনসংযোগে রয়েছে কুল এক্সপোজার ও আপেল আকবর।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সংগীত ও দৃশ্যশিল্পের সমন্বয়ে বাংলা সংস্কৃতি, আধ্যাত্মিকতা, নারীশক্তি ও ঐতিহ্যকে আধুনিকভাবে উপস্থাপন করাই প্রকল্পটির লক্ষ্য। দেবী দুর্গার বিভিন্ন রূপ ও মহিমা আধুনিক দৃশ্যভাষায় তুলে ধরে দর্শকদের নান্দনিক ও অর্থবহ অভিজ্ঞতা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলা ভাষাভাষী দর্শক-শ্রোতার কাছে প্রযোজনাটি পৌঁছে দেওয়া হবে। ডিজিটাল প্রকাশনার মাধ্যম হিসেবে গানজানালা (Gaanjanala) নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিও স্টেশনে প্রচারের পরিকল্পনাও রয়েছে। গানটি কপিরাইট ফ্রী রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

মৌলিক গান, স্বতন্ত্র সুরায়োজন ও আধুনিক সাউন্ড ডিজাইনের সমন্বয়ে ‘মহাদুর্গা’ বাংলা সংগীত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি বিশেষ উপস্থাপনা হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।