এ ছাড়া রাজধানীর মিরপুরে চাঁদাবাজি, জুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, প্লট-ফ্ল্যাট দখল ও কিশোর গ্যাং পরিচালনার অভিযোগে গতকাল তিন ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, তারা ‘ফোর স্টার গ্রুপ’ নামে পরিচিত স্থানীয় একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, গ্রেপ্তার জয় মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মফিজুর রহমান মামুনের হয়ে চাঁদা আদায়, জুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন প্লট ও ফ্ল্যাট দখল এবং ফুটপাত নিয়ন্ত্রণের কাজে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে।
রাজধানীতে চাঁদাবাজির একাধিক ঘটনার পর ৫৪৫ জন সন্দেহভাজন চাঁদাবাজের তালিকা তৈরি করেছে সরকার। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তালিকা তৈরি করেছে বলে মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে। তালিকা অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ঢাকা মহানগর পুলিশকে (ডিএমপি) নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনো পুরোদমে অভিযান শুরু হয়নি। তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের পর কী আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিধা রয়েছে। তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, এমন ব্যক্তিও রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে কোনো ধরনের প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক জটিলতায় পড়তে হবে কি না, তা নিয়ে মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে সংশয় রয়েছে।
বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দ্বিতীয়বারের মতো সন্দেহভাজন চাঁদাবাজদের এমন তালিকা তৈরি করা হলো। এর আগে ডিএমপি ১ হাজার ২০০ জনের বেশি সন্দেহভাজন চাঁদাবাজের একটি তালিকা তৈরি করেছিল। চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে তালিকা তৈরির পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।





