বলসোনারো যত দিন খুশি আমেরিকায় থাকতে পারেন: ট্রাম্প

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়া ব্রাজিলের সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারোকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ফ্লাভিও যত দিন ইচ্ছা, তত দিনই যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারেন। তবে তার সঙ্গে আপাতত কোনও বৈঠকের পরিকল্পনা নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় শনিবার (৩১ অক্টোবর) ফ্লোরিডার পাম বিচে নিজের মার-আ-লাগো ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন তিনি। গত ২৫ অক্টোবর ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে হেরে যান ফ্লাভিও। এরপর চলতি সপ্তাহের শুরুতে ব্রাজিল ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান তিনি।

এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েরা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ফের বৈঠকে বসতে চলেছেন। এর আগে শনিবার আটলান্টায় জি-২০’র সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে দু’জনের সংক্ষিপ্ত কথা হয়। ওই বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন রুবিও।

আগামী ডিসেম্বর মাসে মায়ামিতে জি-২০’র রাষ্ট্রনেতাদের শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা। তার আগেই দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ফের আলোচনায় বসতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।

দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর এই বৈঠককে সম্পর্কের বরফ গলার সম্ভাব্য ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ব্রাজিলের নির্বাচনে হারের পর ফ্লাভিও বলসোনারোর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ট্রাম্প প্রশাসন তার রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে।

তবে রয়টার্সকে এক মার্কিন কর্মকর্তা এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত অন্য এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, ফ্লাভিওকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও তার রাজনৈতিক পরিকল্পনায় সমর্থন জানানোর কোনও সিদ্ধান্ত আপাতত ট্রাম্পের নেই।

এদিকে মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ফ্লাভিওর ব্রাজিল ছাড়ার ঘটনায় মার্কিন সরকার সরাসরি কোনও ভূমিকা নেয়নি। তার কথায়, ‘যে পদক্ষেপগুলোর ফলে বলসোনারো ব্রাজিল ছেড়েছেন, সেগুলির কোনওটিতেই মার্কিন সরকার সরাসরি জড়িত ছিল না।’