বাংলাদেশ সত্তরের দশক থেকে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য বিদেশে রপ্তানি করে আসছে। যা দেশের অন্যতম রপ্তানি পণ্য। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য জুতা, স্যান্ডেল, জ্যাকেট, হাত মোজা, মানিব্যাগ, ওয়ালেট, লেডিস ব্যাগ ও বেল্ট।
চামড়া রপ্তানির বাজার প্রতি বছর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বাড়ছে এবং টাকার অঙ্কেও তা বছরে গড়ে ৩০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
চামড়া শিল্পের বিকাশে রাজধানীর অদূরে সাভারে গড়ে তোলা হয়েছে আলাদা শিল্প নগরী। তবে সেখানে কিছু সীমাবদ্ধতা ও রপ্তানির জন্য উপযুক্ত পরিবেশের ঘাটতি রয়েছে বলে মত ব্যবসায়ীদের।
ইয়োকো লেদার গুডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজম খান জানান, পৃথিবী তো এখন অনেক দ্রুত চলে, ফ্যাশন পরিবর্তন হয়। তাই যদি আমরা কোয়ালিটি মেইনটেইন না করতে পারি, তাহলে আমাদের এই সেক্টরটা থাকবে না।
বিপুল বৈদেশিক মুদ্রার খাত হিসেবে গড়ে তোলার জন্য চামড়া প্রক্রিয়া ও বাজারজাতকরণে সরকারের আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্ল্যাহর।
তিনি জানান, আমাদের চামড়াজাত পণ্যের ওপরে অনেক দেশ আগ্রহী বিনিয়োগ করার জন্য, কিন্তু আমাদের এলডব্লিউজি সনদ না থাকার কারণে এসব বিনিয়োগগুলো আসছে না। আমরা মনে করি, আমাদের এই সমস্যাগুলো যদি সমাধান হয়ে যায়, আমরা অনেক দূর এগিয়ে যাবো এবং আমাদের এই এক্সপোর্টের লক্ষ্যমাত্রা সেটা আমরা পূরণ করতে সক্ষম হবো।
আসন্ন বিজনেস সামিটে চামড়া শিল্পের বিকাশে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হবে বলে জানান এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জসীম উদ্দিন।
তার দাবি, আমাদের সেশনে এটা নিয়ে আলোচনা হবে। আমাদের যারা এক্সপার্ট আছে, তারা কথা বলবেন। বিদেশি এক্সপার্টরা কথা বলবেন। আমাদের এখানে মার্কেটটা কোথায় যেতে পারে, কত বড় হতে পারে এবং তাদের আগ্রহ কী, সেটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা হবে।
রপ্তানিমুখী এ শিল্পের বিকাশে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো ইতিবাচক ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেবে প্রত্যাশা ব্যবসায়ী মহলের।





