ড্র করেও নকআউটের আশা পুরোপুরি শেষ হয়নি ইরানের। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মিসরের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করায় সরাসরি শেষ ৩২ নিশ্চিত করতে পারেনি তারা। তবে অন্য গ্রুপের ফল নিজেদের পক্ষে এলে এখনও নকআউটে জায়গা করে নেয়ার সুযোগ রয়েছে।
গ্রুপ ‘জি’-তে তিন ম্যাচ শেষে ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে থেকে অভিযান শেষ করেছে ইরান। একই গ্রুপ থেকে ৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ দল হিসেবে নকআউটে উঠেছে বেলজিয়াম। ৫ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হয়ে পরের পর্ব নিশ্চিত করেছে মিসর।
এখন ইরানের ভাগ্য নির্ভর করছে অন্য গ্রুপের কয়েকটি ম্যাচের ফলের ওপর। সমীকরণ কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। তিনটি ম্যাচের ফল তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে।
চলুন জেনে নেয়া যাক—
১. আলজেরিয়া-অস্ট্রিয়া ড্র করতে হবে,
২. ডিআর কঙ্গোর কাছে অবশ্যই উজবেকিস্তানকে হারতে হবে,
৩. ক্রোয়েশিয়াকে অন্তত এক পয়েন্ট পেতে হবে ঘানার বিপক্ষে।
এর মধ্যে কোনোটা যদি উল্টো যায়, ইরান বিদায় নেবে। সবকিছু যদি অনুকূলে থাকে, তারা বেঁচে যাবে। ফুটবলে এমন অপেক্ষা খুব কমই আসে। সেই অপেক্ষার ভেতরেই লুকিয়ে আছে একটা বড় যন্ত্রণাও।
মিসরের বিপক্ষে ম্যাচে শুরুতেই পিছিয়ে পড়লেও ১৪ মিনিটে রামিন রেজায়ানের গোলে সমতায় ফেরে ইরান। শেষ দিকে তারা জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। অতিরিক্ত সময়ে করা একটি গোল ভিএআরে অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। এরপর সাইয়েদ এজাতোলাহির শট পোস্টে লেগে ফিরে এলে জয় হাতছাড়া হয়।
ফলে নকআউটে ওঠার আশা এখন আর ইরানের হাতে নেই। শেষ ৩২-এর টিকিট পেতে তাদের অপেক্ষা করতে হবে অন্য গ্রুপের ম্যাচগুলোর ফলাফলের দিকে।





