মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে বাড়ছে মানবপাচার

কুয়ালালামপুরসহ মালয়েশিয়ার বিভিন্ন এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন বিভাগের কড়াকড়ি আরোপের পর স্থল সীমান্তে বাড়ছে মানবপাচার। মিয়ানমারের নাগরিকদের পরেই সবচেয়ে বেশি স্থল সীমান্ত দিয়ে মানবপাচারের শিকার হচ্ছেন বাংলাদেশিরা।

থাইল্যান্ড-মালয়েশিয়ার কেলানতান, তেরেঙ্গানু পাহাং সীমান্তে এই মানবপাচার বেড়েছে বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ান কর্তৃপক্ষ।

চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তে দ্য জেনারেল অপারেশন ফোর্স (জিওএফ) এর পরিচালিত অপ তারিং ওয়াওয়াসান কেলানতানের অধীনে ৬৪১ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

জিওএফ দক্ষিণ-পশ্চিম ব্রিগেড কমান্ডার এসএসি আহমেদ রাদজি বলেন, ১০ টি দেশের অবৈধ অভিবাসীদের আটক করা হয়েছে। যার মধ্যে ৫০৭ জন পুরুষ এবং ১৩৪ জন নারী।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মিয়ানমারের নাগরিক, ৪২৮ জন। যার মধ্যে ৩২২ জন পুরুষ এবং ১০৬ জন নারী। এরপরেই সর্বোচ্চ সংখ্যক বাংলাদেশি, যার সংখ্যা ৭৩ জন।

গত সোমবার স্থানীয় সাংবাদিকদের তিনি জানান, এরপরে যথাক্রমে রয়েছেন- ৩৯ জন ইন্দোনেশিয়ান, ৩৮ জন থাই, ২১ জন চায়নিজ, ১৯ জন ভারতীয়, ১৬ জন নেপাল, ৪ জন ভিয়েতনাম, ২ জন পাকিস্তান এবং ১ জন নাইজেরিয়ার নাগরিক। এদের সবাইকে গত জানুয়ারি থেকে জুন মাসের সময়কালে আটক করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমের এই সীমান্তকে বিবেচনা করা হয় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্তগুলোর একটি হিসেবে। এখানে মানবপাচারকারী চক্র ছোট ছোট গ্রুপে সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করে। স্থানীয়দের থেকে পাওয়া গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিভিন্ন সময়ে অপারেশন পরিচালনা করা হয় বলে জানান তিনি।