চাঞ্চল্যকর ঘটনা সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে যুবক রায়হান হত্যার মূল অভিযুক্ত এসআই আকবর কানাইঘাট সীমান্তের জঙ্গলের ভিতরে লুকিয়ে ছিলো। ছদ্মবেশ নিতে মুখে খোঁচা খোঁচা দাঁড়ি এবং গলায় কাঠের তৈরি একধরনের মালা পড়ে ছিলো সে। তবুও চাঞ্চল্যকর রায়হান হত্যার মুল হোতা হওয়ায় এই রায়হানের চেহারা সারা দেশের অনেকের কাছেই পরিচিত ছিলো। ওই জঙ্গল দিয়ে রশি কাস্তে নিয়ে কয়েকজন আদিবাসী খাসিয়া নিজেদের কাজেই যাচ্ছিলোন। এরমধ্যেই এসআই আকবরের চেহারার সাথে মিলে যায় এমন একজনকে সন্দেহ করছিলো তারা। পরে তাকে প্রশ্ন করা হলে সে দৌঁড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাৎক্ষণীক ওই খাসিয়ারা এসআই আকবরকে পাওয়া গেছে চিৎকার করে ধাওয়া দিয়ে হাতেনাতে আটক করে চড়-থাপ্পড়সহ উত্তম-মধ্যম দিয়ে হাতে পায়ে রশি বেঁধে ফেলে। এরপরই জঙ্গল থেকে বের করে পুলিশকে খবর দিয়ে হস্তান্তর করে দেয়।
নাটকীয় ছিনতাইকারী ট্যাগ দিয়ে ১০ হাজার টাকা মুক্তিপন না দেওয়ায় সিলেট নগরের আখালিয়ার নেহারিপাড়ার বিডিআরের হাবিলদার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে রায়হানকে গত ১১ অক্টোবর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে তার নিথর দেহ নিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রায়হান নগরের রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে চাকরি করতেন।
এ ঘটনায় গত ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু আইনে নগরীর কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি। পরে ১৪ অক্টোবর পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশ পিবিআই মামলাটি তদন্ত করছে।
নাটকীয় ছিনতাইকারী ট্যাগ দিয়ে ১০ হাজার টাকা মুক্তিপন না দেওয়ায় সিলেট নগরের আখালিয়ার নেহারিপাড়ার বিডিআরের হাবিলদার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে রায়হানকে গত ১১ অক্টোবর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে তার নিথর দেহ নিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রায়হান নগরের রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে চাকরি করতেন।
এ ঘটনায় গত ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু আইনে নগরীর কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি। পরে ১৪ অক্টোবর পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশ পিবিআই মামলাটি তদন্ত করছে।





