শেষ বিকেলে তাইজুলে স্বস্তি, বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ ইউকেট

সিলেট টেস্টে জয়ের জন্য পাকিস্তানের সামনে বিশাল লক্ষ্য। জিততে হলে করতে হবে রেকর্ড, কারণ লক্ষ্যটা যে ৪৩৭ রানের। এমতাবস্থায় চতুর্থ দিনে ব্যাট করতে নেমে প্রথম সেশনেই দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা। পাকিস্তানের তখন জয়ের জন্য দরকার ৩৩৬ রান, আর টাইগারদের দরকার ৮ উইকেট।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে বাবর আজমকে সাথে দ্রুত দুই উইকেট হারানোর ধাক্কা সামাল দেন শান মাসুদ। দুজনে মিলে গড়েন ৯২ রানের জুটি। দলীয় ১৩৩ রানের মাথায় বাবর আজমকে হারায় পাকিস্তান। তাইজুলের বলে লিটনের হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে বাবরের ব্যাট থেকে আসে ৫২ বলে ৪৭ রান।

সৌদ শাকিল অবশ্য নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি। দলীয় ১৫৪ রানের মাথায় আউট হন তিনি। নাহিদ রানার বলে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে মাত্র ৬ রান।

শাকিল ফেরার পরের ওভারেই সাজঘরের পথ ধরেন অধিনায়ক শান মাসুদ। ১১৬ বলে ৭১ রান করে তাইজুলের শিকার হন পাক অধিনায়ক। এরপর দলের হাল ধরেন সালমান আলী আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। দুজনে মিলে স্কোরবোর্ডে যোগ করেন ২২৪ বলে ১৩৪ রান। ১০২ বলে ৭১ রান করা সালমানকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম।

এরপর হাসান আলীকেও সাজঘরের পথ দেখান বাঁহাতি এই স্পিনার। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে অপরাজিত আছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ১৩৪ বলে ৭৫ রান নিয়ে পঞ্চম দিনে ব্যাট করতে নামবেন তিনি। চতুর্থ দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩১৬ রান। জয়ের জন্য তাদের দরকার আরও ১২১ রান। আর বাংলাদেশের দরকার তিন উইকেট।

এর আগে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। সেই ইনিংসে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন লিটন কুমার দাস। পাকিস্তান তাদের প্রথম ইনিংসে অলআউট হয় ২৩২ রানে। বাবর আজমের ৬৮ ও সাজিদ খানের ৩৮ রান ছাড়া আর কোনো ব্যাটার বলার মতো রান করতে পারেননি।

৪৬ রানের লিড নিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং শুরু করে স্বাগতিকরা। মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরি ও মাহমুদুল হাসান জয়ের হাফ-সেঞ্চুরিতে ৩৯০ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। আর তাতেই সফরকারীদের জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৭ রান।