প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই ২০২৬) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই ফল ঘোষণা করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।
উক্ত ফলাফল প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
যেভাবে জানা যাবে ফলাফল: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) জানিয়েছে, পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই এখন অনলাইন এবং মোবাইল এসএমএসের (SMS) মাধ্যমে দ্রুত ফলাফল সংগ্রহ করতে পারছেন। অনলাইনে ঘরে বসে ফল দেখার অফিশিয়াল মাধ্যম হলো ‘আইপিইএমআইএস’ (IPEMIS) পোর্টাল। সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর, নিজ জেলা ও উপজেলার তথ্য প্রদান করে সহজেই ফলাফল জানা যাবে।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে ঝটপট ফল জানতে যেকোনো অপারেটরের মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি বড় অক্ষরে DPE লিখে একটি স্পেস দিয়ে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। (যেমন: DPE 123456)।
পরীক্ষার্থী ও বৃত্তির তথ্য:
চলতি বছর সারা দেশে মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রাথমিক বৃত্তি লাভ করেছে। এর মধ্যে মেধা তালিকায় অনন্য অবদান রেখে ট্যালেন্টপুলে (মেধাবৃত্তি) বৃত্তি পেয়েছে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন শিক্ষার্থী। বাকি শিক্ষার্থীরা সাধারণ কোটায় বৃত্তি পেয়েছে।
বৃত্তির হার ও আর্থিক সুবিধা:
বর্তমানে প্রচলিত বৃত্তির হার ও নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৩০০ টাকা করে এবং বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবে। অন্যদিকে, সাধারণ কোটায় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ২২৫ টাকা করে এবং বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা করে অনুদান পাবে। এই বৃত্তির অর্থ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।





