পিছিয়ে পড়েও দুর্দন্ত কামব্যাকে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ম্যাচে দুটি গোলই করিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। তার পায়ের জাদুতে বিমোহিত হন প্রতিপক্ষ ফুটবলাররাও। তেমনি মেসির জাদুতে বিদায় নিয়েও আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। মেসিকেই সর্বকালের সেরা ফুটবলার মানছেন তিনি।
আটলান্টায় বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শুধু গোলটাই করতে পারেননি মেসি। এর বাইরে একজন ফুটবলারের পক্ষে যা কিছু সম্ভব, সবই করেছেন ৩৯ বছর বয়সী তারকা।
শেষ পর্যন্ত তার দুই অ্যাসিস্ট থেকেই গোল করে আর্জেন্টিনার আরেকটি প্রত্যাবর্তনের গল্প রচনা করেছেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ। ম্যাচ শেষে তাই হেরে গেলেও মেসির শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিতে কার্পণ্য করেননি কেইন।
মিক্সড জোনে নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মেসিকে প্রশংসায় ভাসান ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
বায়ার্ন মিউনিখের এই স্ট্রাইকার বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে যেমনটা হয়, তাদের কাছে যখন ফাইনাল থার্ডে (প্রতিপক্ষের পেনাল্টি বক্সের কাছাকাছি এলাকা) বল থাকে, তারা যেকোনো মুহূর্তে জাদু দেখাতে পারে। লিওনেল মেসি আজ আবার সেটাই করেছে। নিঃসন্দেহে সে সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়।
ম্যাচের ৮৪ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধের পর ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে লিড নেয় তারা। সেখান থেকে ৮৫ মিনিটে সমতা ফেরান এনজো। পরে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির মাপা ক্রসে চমৎকার হেডে বল জালে জড়িয়ে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করেন লাউতারো।
এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত হেরে যাওয়ায় নিজেদের ব্যর্থতার কথাই বললেন কেইন। তিনি বলেন, আমি আগেও বলেছি, শেষ ২০ মিনিটে আমরা যে পরিমাণ জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলাম, তা হতাশাজনক। এই সুযোগটা শুধু তাকে নয়, অন্য খেলোয়াড়দেরও ম্যাচে ফিরে আসার এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছিল। যার ফলে তারা বলকে বিপজ্জনক সব জায়গায় পৌঁছে দিতে পেরেছিল। শেষ পর্যন্ত, তাদের থামানো আমাদের জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়েছিল।





