বিশ্বকাপের শেষ পর্যায়ে এসে গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াই এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফাইনাল এবং তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি বাকি থাকায় এবারের আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার দৌড়ে এখনও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় টিকে আছেন।
তবে তালিকার শীর্ষে দুই বা ততোধিক খেলোয়াড় সমান সংখ্যক গোল নিয়ে শেষ করেন, তবে কে এই পুরস্কার জিতবেন তা নির্ধারণের জন্য ফিফার নির্দিষ্ট কিছু ‘টাইব্রেকার’ বা সমতা-ভঙ্গকারী নিয়ম রয়েছে।
গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে কারা আছেন?
অতীতে ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও, জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা, ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন এবং ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপের মতো তারকারা এই ট্রফি জিতেছেন। কেইন এবং এমবাপে এবারও বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে খেলছেন। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টে ফরাসি তারকা আটটি গোল করেছেন এবং গোল্ডেন বুট তালিকার শীর্ষে আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে অবস্থান করছেন।
অন্যদিকে নরওয়ের আর্লিং হালান্ড সাতটি গোল করেছেন। যা ইংল্যান্ডের কেইন এবং জুড বেলিংহামের চেয়ে একটি গোল বেশি; কেইন ও বেলিংহাম প্রত্যেকে ছয়টি করে গোল নিয়ে শীর্ষ পাঁচের তালিকায় রয়েছেন। তালিকার শীর্ষস্থান নিয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকায় এমন জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। একাধিক খেলোয়াড় সমান সংখ্যক গোল নিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে গোল্ডেন বুট বিজয়ী নির্ধারণে ফিফাকে তাদের টাই-ব্রেকিং বা সমতা-ভঙ্গকারী নিয়মগুলোর সহায়তা নিতে হবে।
টাইব্রেকার বা সমতা-ভঙ্গকারী নিয়ম
যদি দুই বা ততোধিক খেলোয়াড় সমান সংখ্যক গোল নিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করেন, তবে ফিফা সেই খেলোয়াড়কে অগ্রাধিকার দেয় যিনি টুর্নামেন্ট চলাকালীন সবচেয়ে বেশি ‘অ্যাসিস্ট’ (গোল করতে সহায়তা) করেছেন। এ কারণেই স্পেনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ফাইনাল ম্যাচের আগে মেসি বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে মাঠে নামবেন, কারণ তিনি এমবাপের চেয়ে একটি অ্যাসিস্ট বেশি করেছেন।
যদি খেলোয়াড়দের অ্যাসিস্টের সংখ্যাও সমান হয়, সেক্ষেত্রে পরবর্তী টাইব্রেকার হিসেবে বিবেচনা করা হয় ‘মিনিট বা খেলার সময়কাল’। এক্ষেত্রে পুরস্কারটি সেই খেলোয়াড়কে দেওয়া হয় যিনি তার গোলসংখ্যা পূর্ণ করতে কম সময় নিয়েছেন; অর্থাৎ গোল করার ক্ষেত্রে অধীক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ এই নিয়মটি প্রয়োগ করা হয়।





