ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো মাঠে থাকলে দর্শকদের আগ্রহ কতটা বেড়ে যায়, সেটি বোঝাতে হংকংয়ের দুটি ম্যাচের উদাহরণ টানলেন পর্তুগালের কোচ হোর্হে জেসুস। তার দাবি, রোনালদো না খেলায় একটি ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে এসেছিলেন মাত্র ৩ হাজার দর্শক। পর্তুগিজ তারকা খেলায় পরের ম্যাচেই দর্শকসংখ্যা বেড়ে হয় ৫৫ হাজার।
ইউয়েফা নেশনস লিগে আজ মাঠে নামবে পর্তুগাল। ওয়েলসের বিপক্ষে ম্যাচ সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে রোনালদোকে নিয়ে একের পর এক প্রশ্নের মুখোমুখি হন জেসুস। ৯০ মিনিট খেলার মতো রোনালদো শারীরিকভাবে প্রস্তুত কি না, সেটিও জানতে চাওয়া হয় তার কাছে।
জবাবে পর্তুগাল কোচ বলেন, ‘আমি লক্ষ্য করি, আপনারা সাংবাদিকেরা সবসময় ক্রিস্তিয়ানোকে নিয়ে প্রশ্ন করেন—কখন খেলবে? শারীরিকভাবে খেলার মতো প্রস্তুত কি না? ক্রিস্তিয়ানো পর্তুগাল ও জাতীয় দলের একটি প্রতীক। সে ম্যাচ খেলার যোগ্য কি না, সেটি সে ঠিক করে না; কোচই সিদ্ধান্ত নেন।’
রোনালদোর সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাজ করার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন জেসুস। তিনি বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে পুরো একটি বছর কাটিয়েছি। তাই পর্তুগালের জন্য এই খেলোয়াড়টি কী প্রতিনিধিত্ব করে, তা আমি খুব ভালোভাবে জানি।’
রোনালদোর জনপ্রিয়তার উদাহরণ দিতে গিয়ে জেসুস বলেন, ‘শুধু ধারণাটা বোঝানোর জন্য বলছি—আমরা হংকংয়ে ৫৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার একটি স্টেডিয়ামে খেলেছিলাম। যে ম্যাচে সে খেলেনি, সেখানে মাত্র ৩ হাজার মানুষ এসেছিল। আর যে ম্যাচে সে খেলেছিল, সেখানে ৫৫ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিল। এটাই পার্থক্য।’
ওয়েলসের বিপক্ষে রোনালদো পুরো ৯০ মিনিট খেলবেন কি না, সেই প্রশ্নেরও সরাসরি উত্তর দেননি জেসুস। তার মতে, ম্যাচের পরিস্থিতিই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।
তবে রোনালদোকে নিয়ে খানিকটা রসিকতাও করেছেন পর্তুগাল কোচ। তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় যা বলি, ম্যাচই সেটা ঠিক করবে। আশা করি, তার কোনো শারীরিক সমস্যা হবে না, সবকিছু ভালোভাবে চলবে এবং সে এক বা দুটি গোল করবে। এরপর আমি সঙ্গে সঙ্গেই তাকে তুলে নেব।’
পর্তুগাল ও ওয়েলসের ম্যাচটি শুরু হবে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১২: ৪৫ মিনিটে।





