বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘মাতৃভূমি’-র গল্পে বড় ধরনের পরিবর্তনের পর এটি সরকারি অনুমোদন পেয়েছে বলে জানা গেছে। ছবিটির নাম পরিবর্তন, টিজার নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া, একাধিকবার মুক্তির তারিখ পেছানো হয়েছে।
এমনকি ছবিটির আদৌ মুক্তি পাবে কি না তা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তবে নতুন একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী মাসেই হয়তো বড় পর্দায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘মাতৃভূমি’। ‘বলিউড হাঙ্গামা’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সালমান খান অভিনীত এই চলচ্চিত্রটির সংশোধিত সংস্করণকে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির জন্য সবুজ সংকেত দিয়েছে। পরবর্তী ধাপটি হলো সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র বা সনদ পাওয়া।
এর আগে চলচ্চিত্রটির টিজার চীনের রাষ্ট্র-সমর্থিত গণমাধ্যমের সমালোচনার মুখে পড়েছিল। ‘গ্লোবাল টাইমস’ অভিযোগ করেছিল, চলচ্চিত্রটিতে তথ্য বিকৃত করা হয়েছে এবং চীন-বিরোধী মনোভাব ছড়ানো হচ্ছে। এরপর জানুয়ারি মাসে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, এ ধরনের উদ্যোগের সাথে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
যদিও ছবিটির নির্মাতারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কিছু জানাননি, তবুও ‘বলিউড হাঙ্গামা’-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সালমান খান মুক্তির একটি তারিখ ভেবে রেখেছেন। সূত্রটির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, এই অভিনেতা এখন ১৩ নভেম্বরের কথা ভাবছেন। তিনি মনে করেন, দীপাবলির ঠিক পরের উৎসবের আমেজ বজায় থাকায় ছবিটি মুক্তির জন্য উপযুক্ত হবে। তবে সেন্সর ছাড়পত্রের প্রক্রিয়াটি এখনও বাকি।
নির্মাতারা শিগগিরই ছবিটি ‘সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন’-এর কাছে জমা দেবেন। যদি সিবিএফসি ছবিটিকে ছাড়পত্র দেয় আগামী ১৩ নভেম্বরই ‘মাতৃভূমি’ প্রেক্ষাগৃহে নিয়ে আসবেন। আগামী ১০ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। যদি এই তথ্য সঠিক হয় তবে নীতেশ তিওয়ারির বিশাল বাজেটের ছবি ‘রামায়ণ: পার্ট ওয়ান’ মুক্তির এক সপ্তাহ পর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে পারে ‘মাতৃভূমি’।
সালমান খান ফিল্মসের ব্যানারে সালমা খানের প্রযোজনায় নির্মিত ‘মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন অপূর্ব লাখিয়া; এতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রাঙ্গদা সিং। ছবিটির নাম পরিবর্তনের আগে এর শিরোনাম ছিল ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’। ২০২০ সালে ভারত ও চীনা বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত গালওয়ান উপত্যকার সংঘাতের ওপর ভিত্তি করে ছবিটি তৈরি হলেও, জানা গেছে পুনরায় দৃশ্যধারণের পর এতে চীন-সংক্রান্ত সমস্ত উল্লেখ বাদ দেওয়া হয়েছে।





