বিলিয়ার নতুন পরিচালক হলেন ড. এ এইচ মনজুরুল কবীর

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স (বিলিয়া) নতুন পরিচালক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক উন্নয়ন, মানবাধিকার ও আইনের শাসন এবং গভর্ন্যান্স বিশেষজ্ঞ ড. এ এইচ মনজুরুল কবীর। গত ১ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে তিনি নতুন এই পদে যোগদান করেন।

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন, বৈদেশিক নীতি, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন, কৌশলগত নেতৃত্ব, সাউথ-সাউথ কোঅপারেশন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারণ ও কর্মসূচীতে দীর্ঘ ২৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে ড. কবীরের। বিলিয়াতে যোগদানের পূর্বে তিনি লাইবেরিয়া ও পশ্চিম আফ্রিকায় জাতিসংঘের (UN-Women)-এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ও অফিস প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি জাতিসংঘের সদর দপ্তরে নিউইয়র্ক জেন্ডার সমতা, ইন্টারসেকশনালিটি ও প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তি বিষয়ক সিনিয়র ইউএন সিস্টেম কোঅর্ডিনেশন এডভাইজার ও গ্লোবাল টিম লিডার হিসেবে দীর্ঘ মেয়াদে সফল নেতৃত্ব প্রদান। এ ছাড়াও তিনি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) এবং বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থায় মানবাধিকার রুল অব ল, জাস্টিস এবং সিকিউরিটি সেক্টর রিফর্ম (SSR) বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগে তিনি নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার এবং এশিয়া-প্যাসিফিক, ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র ও স্বল্পোন্নত দেশ (LDCs) বিভাগের প্রধান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও তিনি দীর্ঘসময় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচীর (UNDP) সদর দপ্তরসহ এশিয়া-প্যাসিফিক, ইউরোপ, মধ্য এশিয়া,পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকায় এবং আফগানিস্তানে সিনিয়র গভর্নেন্স অ্যাডভাইজার ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেছেন।

শিক্ষাজীবনে ড. মনজুরুল কবীর যুক্তরাজ্যের হাল বিশ্ববিদ্যালয় (University of Hull) থেকে রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক বিষযে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন। এর আগে তিনি যুক্তরাজ্যের (University of Essex) থেকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে ডিস্টিংশনসহ এলএলএম (LL.M, Chevening Scholar) ডিগ্রি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সাথে এলএলবি (সম্মান) সম্পন্ন করেন।

ড. মনজুরুল কবীরের আন্তর্জাতিক আইন ও গভর্নেন্স অভিজ্ঞতা কৌশলগত নেতৃত্ব এবং গবেষণাভিত্তিক জ্ঞান বিলিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক উৎকর্ষ, নীতি গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে আরো সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।