দেশের সীমান্তে কড়াকড়ি বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ ছাড়াও নিরাপত্তা বাহিনীকে সমাজের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং ‘দেশদ্রোহী, গুপ্তচর এবং নাশকতাকারী’ নির্মূলের আদেশ দিয়েছেন তিনি। রুশ গণমাধ্যমে উঠে এসেছে এ তথ্য।
‘সিকিউরিটি সার্ভিসেস’ দিবসে দেওয়া বক্তব্যে সোমবার এ নিদের্শনাগুলো দেন রুশ প্রেসিডেন্ট।
তিনি এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তাদের নিজেদের ‘প্রায়োগিক, কারিগরি এবং কর্মী সম্ভাব্যতার সর্বোচ্চ ব্যবহারের’ নির্দেশ দিয়েছেন।
নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর উদ্দেশে পুতিন আরো বলেন, ‘বিদেশি গোয়েন্দাদের কর্মকাণ্ড দমন করা এবং দ্রুত দেশদ্রোহী, গুপ্তচর ও নাশকতাকারীদের শনাক্ত করাটা জরুরি। ’
রাশিয়ার সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করা প্রয়োজন উল্লেখ করে পুতিন বলেন, ‘সীমান্ত সেবা এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিসের (এফএসবি) মাধ্যমে তত্পরতা অবশ্যই বাড়াতে হবে। ’
রুশ প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, ‘সীমান্ত অবশ্যই নির্ভরযোগ্যভাবে সুরক্ষিত থাকতে হবে। এটি লঙ্ঘনের প্রচেষ্টা অবশ্যই দ্রুত ব্যর্থ করে দিতে হবে। আমাদের বাহিনী ও কৌশলকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে। ’
সেপ্টেম্বরে ইউক্রেনের যে চার অঞ্চল রাশিয়া নিজের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিল, সেসব জায়গায় বসবাসরতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেছেন পুতিন।
পুতিন বলেন, ‘তাদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা, অধিকার ও স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনে সবকিছু করা আপনাদের দায়িত্ব। ’
রাশিয়ার দখল করা এসব অঞ্চলের কিছু অংশ ইউক্রেনের বাহিনী আবার দখলে নিয়েছে। কোথাও কোথাও প্রচণ্ড লড়াই চলছে।
রাশিয়াতে বরাবর বড় পরিসরেই পালিত হয়ে থাকে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো বিষয়ক ‘সিকিউরিটি সার্ভিসেস’ দিবস। পুতিনের এসব মন্তব্য এমন একটি সময়ে এলো যখন ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধ শিগগিরই থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া রাশিয়ার ‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ পা দিয়েছে দশম মাসে।
বাখমুতে জেলেনস্কি
যুদ্ধ কবলিত দোনেত্স্ক অঞ্চলের বাখমুত শহর সফর করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রবল লড়াই হতে দেখা গেছে এ অঞ্চলে। জানা গেছে, সফরে জেলেনস্কি ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর কর্তাব্যক্তি এবং অন্যান্য কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাত্ করেছেন।
ইরানের নিন্দা ইইউ কর্তার
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বৈদেশিক নীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বরেল রাশিয়ার প্রতি ইরানের কথিত সামরিক সমর্থনের নিন্দা জানিয়েছেন। তবে ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি ফিরিয়ে আনতে দেশটির সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাজ অব্যাহত থাকবে বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি। ইরান-ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পর্কের অবনতির মধ্যেই বরেল এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দোল্লাহিয়ানের সঙ্গে জর্দানে জরুরি বৈঠক অব্যাহত থাকবে।





