এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে মাদ্যপ একজন ব্যক্তি নারী যাত্রীর গায়ে প্রস্রাব করার ঘটনায় কষ্ট পেয়েছেন ভারতের টাটা সন্স সংস্থার প্রধান। ঘটনাটির ব্যাপারে বেশ বিব্রত তিনি।
গত বছরের নভেম্বরে টাটা পরিচালিত এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে বিব্রতকর ওই ঘটনা ঘটেছে। তবে, ওই নারী গত সপ্তাহে অভিযোগ করার পর ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে।
সংবাদটি প্রকাশের পর ভারতের মানুষদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নারী যাত্রীর অভিযোগের পর অভিযুক্ত ব্যক্তি আটক হয়েছে। মার্কিন ব্যাংকিং ফার্ম ওয়েলস ফার্গোর চাকরি থেকেও তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
গত রবিবার টাটা সন্স-এর চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরন এক বিবৃতিতে বলেছেন, এয়ারলাইনটির প্রতিক্রিয়া আরো দ্রুত হওয়া উচিত ছিল। তিনি আরো বলেছেন, আমরা এ ধরনের বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঠেকানো বা মোকাবেলা করার জন্য প্রতিটি প্রক্রিয়ার ব্যাপারে পর্যালোচনা করবো এবং উন্নত পদক্ষেপ নেব।
এয়ার ইন্ডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ক্যাম্পবেল উইলসন ‘নিন্দনীয় কাজের’ কারণে যাত্রীদের ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করার একদিন পর চেয়ারম্যান বিবৃতি দিলেন।
বিবিসি জানিয়েছে, নিউইয়র্ক থেকে দিল্লিগামী বিমানে গত ২৬ নভেম্বর ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযোগ রয়েছে, মদ্যপ শঙ্কর মিশ্র ৭২ বছর বয়সী নারীর গায়ে প্রস্রাব করেছেন।
ভুক্তভোগী নারী বলেছেন, আমার জামাকাপড়, জুতা এবং ব্যাগ সম্পূর্ণভাবে প্রস্রাবে ভিজে গেছে। ফ্লাইটটিকে তার জীবনের সবচেয়ে ‘ট্রমাটিক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ওই নারী।
তিনি বলেছেন, আসন পাল্টে দেওয়ার জন্য ক্রুদের বলেছিলেন। কিন্তু ক্রুরা তাকে বলেছিল যে, কোনো আসন ফাঁকা নেই। তিনি অভিযোগ করেছেন যে- ক্রুরা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে লোকটিকে তার কাছে নিয়ে এসেছে; যাতে সে ক্ষমা চাইতে পারে।
এ ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়া মিশ্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করে। দুই সপ্তাহ পর তারা সিদ্ধান্ত নেয় যে, মিশ্র এক মাসের মধ্যে তাদের বিমানে যাতায়াত করতে পারবেন না।





