সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মশিউর রহমান এবং মানব সম্পদ বিভাগের সাবেক প্রধান জনাব মোঃ জসিম উদ্দিন খান সহ দায়ী সকল দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানূগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা।
সাবেক শিক্ষা সচিব এন আই খান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এর চেয়ারম্যান ছিলেন ৫ আগস্ট ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পরে তিনি আত্মগোপনে চলে যান তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা সহ দুদক আইনে বিভিন্ন মামলা চলমান।
ব্যাপক অনিয়মের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট ইন্টারন্যাশনাল লিজিং এর পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে দেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক বিগত জানুয়ারি ২২,২০২৫ তারিখে প্রতিষ্ঠানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ মশিউর রহমানের দায়িত্বকালীন সময় প্রতিষ্ঠান বা আমানতকারী স্বার্থ বিরোধী কোন কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন কিনা এই বিষয়ে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য ৩০ দিনের সময় বেঁধে দেয়।
তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব কাজী আলমগীর বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ মোতাবেক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৫ তারিখে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেন। উক্ত প্রতিবেদনে এন আই খানের পরিচালনা পর্ষদকালীন পর্ষদ সহ বিভিন্ন কর্মকর্তার ব্যাপক অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়।
অনিয়মকারী অভিযুক্তদের মধ্যে সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মশিউর রহমান, সাবেক মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান জসিম উদ্দিন খান, জনাব আবু বকর সিদ্দিক ( সি এফ ও), সাবেক কোম্পানী সচিব আসাদুজ্জামান, চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এডভোকেট শিহাবুর রহমান এবং লায়াব্যালিটি অপারেশন বিভাগের প্রধান সাহানা আক্তার সীমা অন্যতম। মূলত উল্লেখিত কর্মকর্তাবৃন্দ নাজুক প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতির অভয়াশ্রম হিসেবে গড়ে তুলেছেন।
উক্ত কর্মকর্তাদের অনিয়ম স্বত্তেও অদ্যাবধি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেননি বরং মহামান্য হাইকোর্ট কর্তৃক নব নিযুক্ত পরিচালনা পর্ষদের অভিযুক্তদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করে অনিয়মকারীদের বহাল তবিয়্যতে রেখেছেন। অবশেষে আগস্ট ০৬,২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক স্ব উদ্যেগে দুর্নীতিবাজ সকল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানূগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।





