নিয়মিত আয়ের অন্তত ১০-২০% আলাদা অ্যাকাউন্টে সরিয়ে রাখা, মাসভিত্তিক বাজেট তৈরি করে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো এবং আয়ের পর ‘নিজের জন্য বেতন’ বা সঞ্চয়কে প্রথম খরচ হিসেবে গণ্য করাই টাকা জমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়। টাকা জমানোর কিছু সহজ ও কার্যকরী কৌশল নিচে দেওয়া হলো:
১. সঞ্চয়কে অগ্রাধিকার দিনবেতন পাওয়ার পর পরই নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা (যেমন: ১০%) অন্য একটি সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করুন।একে ‘নিজের জন্য খরচ’ মনে না করে জরুরি বিলের মতো বাধ্যতামূলক হিসেবে গণ্য করুন।
২. বাজেট তৈরি ও অনুসরণপুরো মাসের আয়ের বিপরীতে খরচ, বিল ও সঞ্চয়ের খসড়া তৈরি করুন।মুদি বাজার বা অন্য কোনো কেনাকাটার রিসিট সংরক্ষণ করুন, যাতে ব্যয়ের সঠিক হিসাব থাকে।
৩. অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানোরেস্টুরেন্টে খাওয়া, ক্যাফেতে কফি পান বা অনলাইনে অতিরিক্ত কেনাকাটার অভ্যাস কমান।কোনো ব্র্যান্ডের ছাড় বা অফারের প্রলোভনে পড়ে অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনা থেকে বিরত থাকুন।
৪. লক্ষ্য নির্ধারণ করুনআপনি কেন টাকা জমাচ্ছেন—যেমন, উচ্চশিক্ষা, ভ্রমণ, বা ইমার্জেন্সি ফান্ড—তার একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করুন।লক্ষ্য পরিষ্কার থাকলে অযথা খরচ করার প্রবণতা কমে যায়।
৫. ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা গ্রহণবিদ্যুৎ, পানি বা গ্যাসের বিল লাইনে দাঁড়িয়ে দেওয়ার চেয়ে ঘরে বসেই পরিশোধ করুন।এতে যাতায়াত ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বেঁচে যায়।





