৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেছে হাইতি। বিশ্বকাপের প্রীতি ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে হাইতি। ওই ম্যাচের ফলাফল ছাড়াও অর্জনের খাতায় অনেক কিছু টুকে নিয়েছেন স্কটল্যান্ডের কোচ।
তাইতো বৈশ্বিক আসরে শুধু সংখ্যাপূরণের জন্য আসেনি বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কোচ সেবাস্তিয়ান মিগনে। দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিতে প্রথম ম্যাচে জয়ের লক্ষ্যে তার শিষ্যরা মাঠে নামবে বলে জানিয়েছেন।
স্থানীয় সময় শনিবার বস্টনে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার পর দলটি ব্রাজিল এবং ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কোর বিপক্ষে খেলবে।
মিগনের মতে, তার খেলোয়াড়দের শুধু প্রতিপক্ষের চেয়ে বেশি গোল করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি আশা করি আমরা এই টুর্নামেন্টের অন্যতম চমক হতে পারব। আমি মনে করি ফুটবল একটি খেলা এবং শেষ পর্যন্ত এতে একজন পরাজিত ও একজন বিজয়ী থাকে। আমরা যদি ম্যাচ জিততে চাই, তাহলে প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন আমাদের গোল করতে হবে।
গ্রেনাডিয়ার্স ১৯৭৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে, যেখানে তারা গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই হেরেছিল। নিউজিল্যান্ডের পরেই দ্বিতীয় সর্বনিম্ন র্যাঙ্কিংয়ের দল হিসেবে তারা এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে। মিগনে বলেন, ১৯৭৪ সালে আমরা প্রথম গোল করেছিলাম, কিন্তু সেটা ছিল ৫২ বছর আগের কথা। আজ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ৫২ বছর পর আমরা আবারও যোগ্যতা অর্জন করেছি এবং এখন পরবর্তী রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে আমাদের আবারও গোল করতে হবে।
তিনি বলেন, গ্রুপে আমাদের প্রতিপক্ষদের দেখে আমাদের খেলার মান আরও এক ধাপ বাড়াতে হবে। আমরা যদি ইতিহাস গড়তে চাই, প্রথমবারের মতো জয় অর্জন করতে চাই এবং পরবর্তী পর্বে খেলার সুযোগ পেতে চাই, তাহলে প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন আমাদের গোল করতেই হবে।
মিনিয়ে বলেন, হয়তো আমার খেলোয়াড়রা ততটা পরিচিত নন, কিন্তু আমি বলি যে আপনি যে ছাপ রেখে যান সেটাই আসল। আমরা আশা করি টুর্নামেন্টের শেষে আমরা নিজেদের ছাপ রেখে যেতে পারব। সান্ডারল্যান্ডে খেলা হাইতির স্ট্রাইকার উইলসন ইসিডর জানা উত্তরই দিয়েছেন, ‘আমাদের হারানোর কিছু নেই। যা কিছু হবে, সবই প্রাপ্তি।
হাইতি আগামী সপ্তাহে ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলবে এবং এরপর ২৪ জুন মরক্কোর মুখোমুখি হবে।





