বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘বি’ এর প্রথম ম্যাচে কাতারের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র পায় সুইজারল্যান্ড। ওই ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে দেওয়া একটি পেনাল্টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিষয়টিকে ‘কারিগরি বিভ্রাট’-কে দায়ী করেছে ফিফা।
ম্যাচের ১৪ মিনিচের মাথায় রেমো ফ্রয়লারের ওপর ফাউলের জন্য পেনাল্টিটি দেওয়া হয়, যা থেকে গোল করেন ব্রিল এমবোলো। ফাউলটি হওয়ার আগে উভয় সুইস ফুটবলার সামান্য অনসাইডে বলে মনে করা হয়েছিল।
কিন্তু টিভি সম্প্রচারে সম্ভাব্য অফসাইডের সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত সাধারণ থ্রিডি গ্রাফিকটি দেখানো হয়নি এবং রিপ্লেগুলোও অস্পষ্ট থাকায় এই ঘটনাটি সমর্থক ও বিশেষজ্ঞদের সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ফিফার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়ায় কাতার বনাম সুইজারল্যান্ড ম্যাচে, একটি সংক্ষিপ্ত প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ১৪তম মিনিটে সুইজারল্যান্ডকে পেনাল্টি দেওয়ার ঠিক আগে অনসাইড অ্যানিমেশন গ্রাফিকটি তৈরি করা সম্ভব হয়নি। সমস্যাটি দ্রুত সমাধান করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটার চার ঘণ্টারও বেশি সময় পর পোস্ট করা এই বিবৃতিতে প্রমাণ হিসেবে ছবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে দেখা যায় পেনাল্টির আগে সুইস ফ্রয়লার এবং এমবোলো দুজনেই অনসাইডে ছিলেন এবং দৃশ্যত ভিএআর দ্বারা লাইন আঁকা হয়েছিল। থ্রিডি গ্রাফিকটি এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই সমস্যার কারণে ভিএআর-এর কার্যপ্রবাহ প্রভাবিত হয়নি এবং মাঠের সিদ্ধান্ত যাচাই করার ক্ষেত্রে এটি স্বাভাবিক পদ্ধতি অনুসরণ করেছে।
এ ঘটনায় আইটিভি-র বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত গ্যারি নেভিল ফিফাকে একটি স্বৈরাচারী শাসনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি বলেন, আমরা এখানে বসে সবাই তাই ভাবছি এবং প্রত্যেকেই ভাববে। আমাদের মাঠে গোলটি অফসাইড। ফিফার কাছে স্বয়ংক্রিয় সিদ্ধান্তের প্রমাণ আছে, তারা আমাদের দেখাচ্ছে না কেন?
তিনি দাবি করেন, এটা একনায়কতন্ত্রের মতো যে তারা এই প্রমাণ নিজেদের কাছে রেখে দিচ্ছে এবং ভক্তদের দেখাচ্ছে না। এটা হাস্যকর। আমাদের প্রমাণ করে দেখান যে এটা অফসাইড। স্বচ্ছতা কোথায়?





