২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর সমীকরণে আজ মঙ্গলবার রাত ১১টায় টেক্সাসের ডালাস স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে আফ্রিকার পরাশক্তি আইভরি কোস্ট এবং ইউরোপের নরওয়ে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ২৩তম দল নরওয়ের শক্তিমত্তার সামনে এই ম্যাচটি ৩০তম স্থানে থাকা আইভরি কোস্টের জমাট রক্ষণের এক কঠিন পরীক্ষা।
গ্রুপ ‘ই’-তে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির পেছনে থেকে রানার্সআপ হয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পা রেখেছে আইভরি কোস্ট। ইকুয়েডর ও কুরাসাওকে হারিয়ে এবং জার্মানির বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াই করে নিজেদের শক্তিমত্তা দেখিয়েছে কোচ ইমার্স ফায়ের দল। বিগত ৫ ম্যাচের ৩টিতেই ক্লিন শিট রাখা ওউসমানে দিওমান্দে ও ওডিলন কসউনুর রক্ষণভাগ যেকোনো আক্রমণভাগকে রুখে দিতে প্রস্তুত।
অন্যদিকে, দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফিরেই বাজিমাত করেছে নরওয়ে। ফ্রান্সের পেছনে থেকে রানার্সআপ হয়ে নকআউট নিশ্চিত করা ভাইকিংদের মূল কাণ্ডারি ২৫ বছর বয়সি স্ট্রাইকার আর্লিং হ্যালান্ড। ম্যানচেস্টার সিটির এই গোলমেশিন ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টে ইরাক ও সেনেগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন। দেশের হয়ে ৫২ ম্যাচে ৫৯ গোল করা হ্যালান্ডের ওপর নরওয়ে কতটা নির্ভরশীল, তা স্পষ্ট হয় শেষ ম্যাচে তাঁকে বিশ্রামে রাখায় ফ্রান্সের কাছে দলের ৪-১ গোলের হারে।
ফুটবল পণ্ডিতদের মতে, ম্যাচে কোনো দলই স্পষ্ট ফেভারিট নয়। আইভরি কোস্টের গতি ও ভারসাম্যপূর্ণ দলের বিপরীতে নরওয়ের দুর্বল ডিফেন্সের সবচেয়ে বড় শক্তি হ্যালান্ডের অতিমানবীয় ফিনিশিং। শেষ পর্যন্ত এই বিশ্বমানের স্ট্রাইকারের একক নৈপুণ্যই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিতে পারে।





