সাইবার সিকিউরিটিকে গুরুত্ব দিয়ে নেতৃত্ব তৈরিতে কাজ করবে ইন্টারনেট সোসাইটি: নাদির বিন আলী

প্রথম সপ্তাহে পরবর্তী দুই বছরের কাজের ক্যালেন্ডার তৈরি, দ্বিতীয় সপ্তাহে ট্রাস্টি বোর্ডের সাথে মিটিং এবং তারপরই সদস্যদের সাথে নিয়ে কার্যকরী ওয়ার্ক প্ল্যান তৈরিতে কাজ করবো। বাংলাভিশনের সাথে আলাপকালে এমনটাই জানিয়েছেন ইন্টারনেট সোসাইটি (আইএসওসি) বাংলাদেশ ঢাকা চ্যাপ্টারের ২০২৬ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির নব-নির্বাচিত সভাপতি ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী ।

তিনি বলেন, দেশব্যাপী সদস্য বাড়ানোর কাজ করা হবে। শুধু তাই না বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে গুরুত্ব সহকারে কাজ করা হবে। দুই বছরের কাজের মাধ্যমে আমরা পরবর্তী নেতৃত্ব ঠিক করবো। এছাড়া সব সদস্যদের কার্যকরী ভূমিকা পালনে কাজ করবে ইন্টারনেট সোসাইটি।

বর্তমানে সাইবার সিকিউরিটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সেইফ ইন্টারনেট সহ এই সংক্রান্ত বিষয়ে গুরুত্ব পাবে ইন্টারনেট সোসাইটির ক্যালেন্ডারে।

সম্প্রতি ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী ইন্টারনেট সোসাইটি (আইএসওসি) বাংলাদেশ ঢাকা চ্যাপ্টারের ২০২৬ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হন। কমিটিতে সাধারন সম্পাদক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. বরকতুল আলম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

সভাপতি পদে ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী ৫৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু পেয়েছেন ৯৫ ভোট।

দুইটি সহ-সভাপতি পদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. নাসির ফিরোজ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭১ ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সুমন কুমার সাহা।

এ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা অন্য প্রার্থীদের মধ্যে মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীন ৯২ ভোট, শাহানাজ বেগম ৫৬ ভোট, শাহ জাহিদুর রহমান ৫২ ভোট, সৈয়দ মো. গালিব ৪২ ভোট, মাহমুদুল হক ৩৩ ভোট এবং মো. শরিফুল আলম ১৯ ভোট পেয়েছেন।

সাধারণ সম্পাদক পদে মো. বরকতুল আলম ৫৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সেলিম রেজা পেয়েছেন ৮৫ ভোট।

কোষাধ্যক্ষ পদে ৪৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন দেবাশীষ দাস। একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মো. মেহেদী হাসান ৭৮ ভোট, আবদুল্লাহ আল মামুন ৬১ ভোট এবং শাহরিয়ার রহমান ৪৬ ভোট পেয়েছেন।

ইন্টারনেট সোসাইটির ত্তত্বাবধানে গত ১৬ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সম্পূর্ণ ডিজিটাল ব্যবস্থায় সংগঠনটির সদস্যরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি আগামী মেয়াদে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণে দেশের ইন্টারনেট উন্নয়ন, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এবং নীতি-অ্যাডভোকেসিতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আশা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচিতদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সংগঠনের সদস্যরা। তারা নতুন নেতৃত্বের সফলতা কামনা করেছেন।