মাসিক ভাড়াতেই চালানো যাবে আইফোন ও ম্যাকবুক

আইফোন বা ম্যাকবুক কেনার জন্য এখন আর এককালীন বড় অঙ্কের টাকা খরচ করতে হবে না। গ্রাহকদের জন্য ‘অ্যাপল আপগ্রেড’ নামে নতুন একটি ডিভাইস লিজিং বা ভাড়ায় ব্যবহারের সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে অ্যাপল। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ২৮ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে এই সেবাটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে পারে।

গাড়ি লিজিংয়ের মতোই এই সেবায় গ্রাহকরা প্রতি মাসে নির্দিষ্ট ভাড়ার বিনিময়ে আইফোন, ম্যাকবুক, আইপ্যাড ও অ্যাপল ওয়াচ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। আইফোন ও অ্যাপল ওয়াচের ক্ষেত্রে এই চুক্তির মেয়াদ হবে ২৪ মাস। অন্যদিকে ম্যাকবুক ও আইপ্যাডের জন্য এই মেয়াদ হবে ৩৬ মাস। চুক্তির মেয়াদ শেষে গ্রাহকদের সামনে তিনটি চমৎকার বিকল্প থাকবে— তারা চাইলে বাকি টাকা শোধ করে ডিভাইসটি একেবারে কিনে নিতে পারবেন, নতুন কোনো মডেলে আপগ্রেড করতে পারবেন, অথবা স্রেফ ডিভাইসটি ফেরত দিয়ে চুক্তির ইতি টানতে পারবেন।

আর্থিক ঝুঁকি এড়াতে নতুন এই উদ্যোগের অর্থায়নের দিকটি সামলাবে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘ক্লারনা’। নতুন এই সেবা চালু হলে অ্যাপলের আগের আইফোন পেমেন্ট বা ফাইন্যান্সিং সুবিধাগুলো ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাবে। তবে নতুন এই আপগ্রেড সেবায় আগের মতো ‘অ্যাপলকেয়ার’ (AppleCare) সুরক্ষা থাকছে না। সেই সঙ্গে আইফোন ১৬ বা অ্যাপল ওয়াচ এসই-এর মতো অপেক্ষাকৃত কম দামি বা এন্ট্রি-লেভেলের ডিভাইসগুলোও এই সুবিধার বাইরে থাকবে বলে জানা গেছে।

মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) চাহিদার কারণে মেমোরি ও স্টোরেজ চিপের দাম বেড়ে যাওয়ায় অ্যাপলের উৎপাদন খরচ অনেকটাই বেড়ে গেছে। হার্ডওয়্যারের এই বাড়তি দামের সঙ্গে মানিয়ে নিতে এবং গ্রাহকদের ডিভাইস আপগ্রেড করতে উৎসাহিত করতেই অ্যাপল এই নতুন পথে হাঁটছে।