ভারতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি জানতে চেয়েছেন, ভারত সরকারের অনুমতি ছাড়া কীভাবে একটি সংগঠন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করতে পারে।
শনিবার (৮ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।
রিজভী বলেন, ভারত সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনো সংগঠন কীভাবে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করতে পারে, সেটির উত্তর প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিস্তা ব্যারেজ ও চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডর প্রসঙ্গের সঙ্গে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান ও রাজনৈতিক তৎপরতার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা দরকার।
তিনি বলেন, ‘যখন তিস্তা ব্যারেজের কথা হচ্ছে, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডরের জন্য কি হাসিনা কার্ড খেলা হচ্ছে? এটা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে।’
রিজভীর অভিযোগ, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও দুই দেশের পারস্পরিক সম্মানের বিষয়কে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ভারতে সংবাদ সম্মেলনের সুযোগ দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদার ভিত্তিতে হওয়া উচিত। ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা উচিত নয়।
এ সময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিএনপির ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন রিজভী। তিনি দাবি করেন, আন্দোলনের সময় তারেক রহমান নিয়মিত নির্দেশনা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।
এদিকে জামায়াতের এক নেতার বাড়িতে আয়োজিত মুক্তিযুদ্ধের চিত্র প্রদর্শনীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজভী।





