সিলেট শহরে ঢুকতেই তীব্র যানজট

ঢাকা-সিলেট করিডর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মহাসড়কটি ছয় লেনে সম্প্রসারণের কাজ চলছে। এর আওতায় নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর থেকে সিলেটের লালাবাজার পর্যন্ত বিদ্যমান দুই লেন মহাসড়ক ছয় লেন হচ্ছে। কিন্তু লালাবাজার থেকে সিলেট কদমতলী বাস টার্মিনাল (শহর) অংশটি থেকে যাচ্ছে দুই লেন। এতে মহাসড়কের এ অংশটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে লালাবাজার-কদমতলী টার্মিনাল অংশ চার লেনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও এখনো মেলেনি অনুমোদন।

সওজ সূত্র জানায়, ঢাকা-সিলেট করিডর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে প্রায় ২০৯ কিলোমিটার মহাসড়ক ছয় লেন হলেও প্রকল্পের বাইরে রয়েছে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার-কদমতলী বাস টার্মিনাল অংশ। ছয় লেনের কাজ লালাবাজার আসার পর ডানে মোড় নিয়ে চলে যাবে পারাইরচকস্থ পীর হবিবুর রহমান চত্বরে। সেখান থেকে শ্রীরামপুর বাইপাস হয়ে সড়কটি যুক্ত হবে তামাবিল মহাসড়কে।

পরিবহন শ্রমিকরা বলছেন, মহাসড়কটি ছয় লেন হলে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে। তবে ছয় লেন দিয়ে আসা যানবাহনের মধ্যে কেবলমাত্র ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান লালাবাজার এসে পীর হবিবুর রহমান চত্বর দিয়ে বের হবে। কিন্তু বাকি সব যানবাহন সিলেট শহর অভিমুখে যাবে। এত গাড়ির চাপ দুই লেন সড়ক কোনোভাবেই নিতে পারবে না। তাই কদমতলী বাস টার্মিনাল পর্যন্ত সড়কটি ছয় লেন করা প্রয়োজন। এটা করা না গেলে মহাসড়কের ওই অংশ যানজটে অচল হয়ে পড়বে। বাড়বে দুর্ঘটনাও। সওজ সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী খায়রুল বাশার মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন জানান, ছয় লেন দিয়ে সিলেট শহরে আসা গাড়িগুলো যাতে নির্বিঘ্নে আসতে পারে সেজন্য লালাবাজার থেকে হুমাযূন রশিদ চত্বর পর্যন্ত চার লেন করার প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো অনুমোদন হয়নি। অনুমোদন পেলে কাজ শুরু হবে।