ত্রিদেশীয় সিরিজের ব্যর্থতা পেছনে ফেলে নতুন চ্যালেঞ্জের অপেক্ষায় বাংলাদেশ দল। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে নামছে টাইগাররা। এই সিরিজে ভালো করতে পারলে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা আরও জোরালো হবে বাংলাদেশের। তবে ফাইনাল নিয়ে এখনই ভাবতে চান না অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। বরং ম্যাচ ধরে এগিয়ে যাওয়ার ওপরই গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেন, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার সমীকরণকে চাপ হিসেবে দেখছেন না তিনি। বরং এটিকে অনুপ্রেরণা হিসেবেই নিচ্ছেন। বাড়তি কিছু করার চেষ্টা না করে নিজেদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে চান বাংলাদেশের অধিনায়ক।
শান্ত বলেন, ‘এটা আমার কাছে চাপ না, অনুপ্রেরণা। টেস্টে এমন সমীকরণ আসছে, এটা ইনস্পায়ারিং। প্রেশার বলব না। বাড়তি কিছু করতে চাই না, প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে চাই। যেটা পারি সেটাই একশ ভাগ করতে চাই। বাড়তি এফোর্ট চাই না। অনেক ইম্পরট্যান্ট সিরিজ অবশ্যই।’
ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা নিয়ে এখনই দূরদর্শী কোনো হিসাব করতে চান না শান্ত। তাঁর লক্ষ্য, প্রতিটি ম্যাচ ও সেশনে ভালো ক্রিকেট খেলা। এভাবে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।
বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘(ফাইনাল) অনেক দূরে এখনও চিন্তা করছি না। ভালো খেলতে থাকলে অবশ্যই অর্জন করা সম্ভব। আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ, সেশন বাই সেশন কত ভালো খেলতে পারি। ছোট টার্গেট নিয়ে খেলছি। প্রিপারেশনের সময় এভাবেই কথা হয়। একেক ম্যাচ, একেক ঘণ্টা…।’
টানা খেলার ব্যস্ততার মধ্যেও প্রস্তুতি ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শান্ত। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টের পর দেশে ফেরা ক্রিকেটাররা দ্রুত অনুশীলন শুরু করতে পেরেছেন। পাশাপাশি ওয়েস্ট ইন্ডিজের কন্ডিশন সম্পর্কেও বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের ধারণা রয়েছে বলে জানান তিনি।
শান্ত বলেন, ‘ভালো প্রস্তুতি নিতে পেরেছি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টের পর যারা দেশে চলে এসেছিল তারা দ্রুত অনুশীলন শুরু করতে পেরেছে। আমরা প্রস্তুতি ভালোই নিয়েছি, আমি খুশি আছি। কন্ডিশন আমাদের জানা। স্বাভাবিকভাবেই একটু ধারণা তো আছেই।’
প্রতিটি সিরিজেই চ্যালেঞ্জ থাকে উল্লেখ করে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, দলের খেলোয়াড়রা যথেষ্ট অভিজ্ঞ। কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে এক সিরিজের পর আরেক সিরিজ খেলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁদের।
মিরপুরে প্রথম টেস্টের উইকেট ও একাদশের সমন্বয় নিয়ে শান্ত জানান, পেস ও স্পিন দুই বিভাগেই বাংলাদেশের ভালো বিকল্প রয়েছে। তবে কন্ডিশন বিবেচনা করেই একাদশ সাজানো হবে।
তিনি বলেন, ‘পেস ও স্পিন দুই দিকেই ভালো অবস্থানে আছি। ওয়েস্ট ইন্ডিজও এই কন্ডিশন দেখতে পারে, তাই বলতে চাই না। কন্ডিশন অনুযায়ী আমরা একাদশ সাজাব।’





