গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেছেন, গত ২০ বছরে নগরায়ণের নামে নরকায়ন হয়ে গেছে। ঢাকা শহর শেষ। পৃথিবীর যে তিনটা নিকৃষ্টতম শহর, তার মধ্যে ঢাকা হচ্ছে একটা। এখান থেকে বের করে আনার বিশাল দায়িত্ব পড়েছে আমাদের প্রশাসক মহোদয়ের কাঁধে। সেটা একদিনে হবে না। কিন্তু আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গুলশান লেককে পরিষ্কার করার জন্য ওনার নেতৃত্বে একটা কমিটি করে দিয়েছেন এবং আপনারা জেনে অবাক হবেন, ঢাকা শহরের মতো শহরে কোনো সুয়ারেজ প্ল্যানিং নাই।
তিনি আরও বলেন, অধিকাংশ এলাকার পয়োনিষ্কাশন লাইন সরাসরি লেকে গিয়ে পড়ছে। গুলশানকে মডেল এলাকা হিসেবে গড়তে সবার সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইকোনমিস্ট গ্রুপের গবেষণা বিভাগ ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) তৈরি ২০২৬ সালের বৈশ্বিক বাসযোগ্যতা সূচকে দেখা গেছে বিশ্বে বসবাসের অনুপযোগী শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। সূচকে বিশ্বের ১৭৩ শহরের মধ্যে বাসযোগ্যতার দিক দিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত দামেস্ক ও ত্রিপোলি শহর।
সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা ও অবকাঠামো বিবেচনা করে এ সূচক প্রকাশ করা হয়। সূচকে ঢাকা ১০০-এর মধ্যে ৪২ স্কোর নিয়ে ১৭১তম অবস্থানে রয়েছে। স্কোর ৮০-এর ওপরে হলে গ্রহণযোগ্য আর ৪০-এর নিচে হলে সেই শহরকে অসহনীয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৪২ স্কোর নিয়ে ঢাকা অসহনীয় শহরের চেয়ে সামান্য ভালো আছে। গত বছরের একই অবস্থান ছিল বাংলাদেশের। স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে স্কোর ১০০-এর মধ্যে ঢাকার স্কোর ৪৫। স্বাস্থ্যসেবায় ৪২। সংস্কৃতি ও পরিবেশের ক্ষেত্রে ৪১। শিক্ষার ক্ষেত্রে স্কোর ৬৭, যা সর্বোচ্চ। অবকাঠামোর ক্ষেত্রে ঢাকার স্কোর মাত্র ২৭, যা সর্বনিম্ন।





