নারী ও নারী মানেই নাকি প্রতিযোগিতা, ঈর্ষা আর দ্বন্দ্ব— বিনোদন জগতে এমন ধারণা অনেক পুরোনো। তবে এই ভাবনার সঙ্গে একমত নন অভিনেত্রী জয়া আহসান ও চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁদের মতে, একজন নারী শিল্পীর সাফল্য অন্য নারীর জন্য বাধা নয়; বরং ভালো কাজের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তাঁদের অভিনীত সিনেমা ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। ছবিতে দুই নারী চরিত্রের সম্পর্কের মধ্যে জটিলতা থাকলেও বাস্তব জীবনে দুই অভিনেত্রীর সম্পর্ক সম্পূর্ণ ভিন্ন। একসঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে তাঁরা জানিয়েছেন, পর্দার গল্প আর বাস্তবের সম্পর্ককে এক করে দেখার কোনো কারণ নেই।
জয়া আহসান বলেন, একই ছবিতে একাধিক নারী চরিত্র থাকলেই তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হবে— এই ধারণা এখন পুরোনো। বর্তমানে সিনেমা মূলত চরিত্রনির্ভর, যেখানে প্রত্যেক শিল্পীর কাজের গুরুত্ব থাকে।
চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়ও মনে করেন, একজন অভিনেত্রী অন্যজনের সৌন্দর্য বা জনপ্রিয়তা নিয়ে প্রতিযোগিতায় নামবেন— এমন ধারণা ভুল। তাঁর মতে, একটি চরিত্রকে সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলাই একজন শিল্পীর প্রধান দায়িত্ব।
দুজনের বন্ধুত্বের শুরু কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের সিনেমা ‘বিসর্জন’-এর সময়। সেই সময় থেকেই জয়ার কাজ ও চরিত্র নির্মাণে পাশে ছিলেন চূর্ণী। পরে ‘অর্ধাঙ্গিনী’ ও ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’-তে তাঁদের একসঙ্গে কাজের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।
জয়া ও চূর্ণীর বক্তব্য, সমাজ অনেক সময় নারীদের একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরে। কিন্তু বাস্তবে সম্মান, সহযোগিতা ও বন্ধুত্বই হতে পারে দুই নারী শিল্পীর সম্পর্কের সবচেয়ে বড় শক্তি।





