সারাদিনের ব্যস্ততা, দীর্ঘ সময় জুতা-মোজা পরে থাকা কিংবা একটানা দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ—এসবের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে আমাদের পায়ের ওপর। অথচ শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির যত্ন নেওয়ার কথা অনেক সময়ই ভুলে যাই। সেই বিষয়টিই মনে করিয়ে দিতে প্রতি বছর ৬ আগস্ট অনানুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয় ‘ন্যাশনাল উইগল ইয়োর টোজ ডে’।
দিবসটির মূল ভাবনা হলো, পায়ের প্রতি একটু বাড়তি মনোযোগ দেওয়া এবং সহজ কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে পায়ের আরাম ও সুস্থতা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরা। এ উপলক্ষে অনেকেই কিছু সময়ের জন্য জুতা-মোজা খুলে পায়ের আঙুল নাড়ানো, হালকা স্ট্রেচিং করা কিংবা পায়ে বিশ্রাম দেওয়ার মতো ছোট ছোট অভ্যাস পালন করেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত পায়ের ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং পায়ের পেশিগুলো সচল রাখতে সাহায্য করতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে থাকার পর পা নড়াচড়া করলে অস্বস্তি ও ক্লান্তি কিছুটা কমতে পারে। কুসুম গরম পানিতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখা, হালকা ম্যাসাজ করা, পায়ের ত্বক আর্দ্র রাখতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাও পায়ের পরিচর্যার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ছাড়া আরামদায়ক ও সঠিক মাপের জুতা ব্যবহার করলে পায়ের ওপর অপ্রয়োজনীয় চাপ কম পড়ে।
তবে মনে রাখা জরুরি, ‘ন্যাশনাল উইগল ইয়োর টোজ ডে’ কোনো আন্তর্জাতিক বা রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত দিবস নয়। এটি একটি অনানুষ্ঠানিক সচেতনতামূলক দিবস, যা পায়ের যত্ন সম্পর্কে মানুষকে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে পালন করা হয়। ছোট্ট এই উপলক্ষ মনে করিয়ে দেয়—প্রতিদিন আমাদের শরীরের পুরো ভার বহন করা পায়েরও প্রয়োজন নিয়মিত যত্ন, বিশ্রাম ও সামান্য বাড়তি মনোযোগ।





