মক্কা-মদিনায় হুতিদের হামলার নিন্দা জানাল ওআইসি

মক্কা ও মদিনার পবিত্র স্থান ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হুতিদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। একই সঙ্গে সৌদি আরবের প্রতি পূর্ণ সংহতি ও সমর্থন প্রকাশ করেছে।

বুধবার জেদ্দা থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ওআইসি জানায়, পবিত্র স্থান, মসজিদ ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলা ইসলামী মূল্যবোধ, আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক রীতিনীতির পরিপন্থী। সংস্থাটি এসব হামলাকে ‘সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

ওআইসির বিবৃতিতে বলা হয়, পবিত্র স্থান ও মসজিদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। হুতিদের এসব হামলার উদ্দেশ্য ছিল বেসামরিক মানুষকে ভয় দেখানো, পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা এবং বিশ্বের মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করা।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মক্কার দক্ষিণে একটি ড্রোন শনাক্ত করে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানান, ড্রোনটি মক্কার জন্য নির্ধারিত নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ধ্বংস করা হয়। পরে ড্রোনটির ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণাঞ্চলে পড়ে।

আল-মালিকি বলেন, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে ড্রোনটি শনাক্ত করা হয়। মক্কাকে লক্ষ্য করে হুতিদের এটি দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এর আগে ২০১৭ সালের ২৭ জুলাই মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল।

সৌদি জোটের মুখপাত্র আরও বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ এবং সেখানে আসা মুসল্লিদের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ওআইসি বলেছে, পবিত্র স্থান, মসজিদ ও বেসামরিক স্থাপনায় হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পবিত্র স্থান ও বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা এবং সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দেশটির সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে সংস্থাটি।