বিচ্ছেদের ঘোষণা কণিকা কাপুরের, কেন দ্বিতীয় বার এ পথে হাঁটলেন গায়িকা

বলিউডের জনপ্রিয় গায়িকা কণিকা কাপুরের ব্যক্তিগত জীবনে আবারও বিচ্ছেদের সুর। চার বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। স্বামী গৌতম হাথীরমণির সঙ্গে আর এক ছাদের নিচে থাকছেন না এই গায়িকা।

মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে নিজেদের আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন কণিকা। দুজনের সম্মতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে প্রকাশিত বিবৃতিতে কণিকা লেখেন, অনেক চিন্তাভাবনার পর তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে আলাদা পথে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একসঙ্গে কাটানো সময়ের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি গৌতমের আগামী জীবনের জন্য শুভকামনাও জানিয়েছেন তিনি।

একইসঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনের এই কঠিন সময়ে তাদের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করার অনুরোধ জানিয়েছেন গায়িকা। বিষয়টি নিয়ে অযথা আলোচনা না করে সহানুভূতিশীল থাকার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।

২০২২ সালের মে মাসে গৌতম হাথীরমণির সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন কণিকা। তাদের বিয়ের ছবি ও ভিডিও সে সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। তবে চার বছরের মাথায় সেই সম্পর্কে ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিলেন দুজন। যদিও বিচ্ছেদের পেছনে কী কারণ রয়েছে, সে বিষয়ে এখনো মুখ খোলেননি কণিকা কিংবা তার স্বামী।

কণিকার এটি দ্বিতীয় বিচ্ছেদ। এর আগে ১৯৯৯ সালে রাজ চন্ডোকের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তার। দীর্ঘ ১৩ বছরের সংসারের পর ২০১২ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। প্রথম সংসারে দুই মেয়ে আয়ানা ও সামারা এবং ছেলে যুবরাজ রয়েছে তার।

প্রথম সংসার ভাঙার পরই নতুন করে নিজের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যান কণিকা। সংগীতজগতে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার লড়াই শুরু করেন তিনি। ২০১৪ সালে ‘রাগিনি এমএমএস ২’ ছবির ‘বেবি ডল’ গান তাকে রাতারাতি জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দেয়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই গায়িকাকে।

‘চিট্টিয়া কলাইয়াঁ’, ‘লভলি’সহ একাধিক জনপ্রিয় গানে কণিকার কণ্ঠ শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে। দক্ষিণী ছবি ‘পুষ্পা’র জনপ্রিয় গান ‘উ আন্তাভা’র হিন্দি সংস্করণেও তার কণ্ঠ শোনা গেছে।

এরপর একের পর এক জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন কণিকা। মিত ব্রোস ও ডা. জিউসের সঙ্গে ‘রয়’ সিনেমার ‘চিটিয়া কালাইয়া’, ‘এক পহেলি লীলা’র ‘দেশি লুক’, ‘অল ইজ ওয়েল’-এর ‘নাচান ফার্রাতে’ এবং ‘উড়তা পাঞ্জাব’-এর ‘দা দা দাসে’র মতো গানগুলো তার জনপ্রিয়তাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

সূত্র: আনন্দবাজার