‘প্রথমার্ধে আমরা খুব বাজেভাবে শুরু করেছিলাম, যা পরিস্থিতি অনেক কঠিন করে তুলেছিল। গোল খেয়ে বসার পর বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচে ছন্দে ফেরা সবসময়ই কঠিন। তবে আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে এবং এগিয়ে যেতে হবে, কারণ এটি বিশ্বকাপ; এখানে কোনো ম্যাচই সহজ নয়।’
মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলের হতাশাজনক ড্রয়ের পর ম্যাচ শেষে ‘জিই টিভি’কে এভাবেই নিজের প্রতিক্রিয়া জানান ব্রাজিল তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘সি’র ম্যাচে হেক্সা মিশন শুরু করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। তবে শুরুতেই ছন্দ হারিয়ে ফেলে সেলেসাওরা। ২১ মিনিটে ইসমাইল সাইবারির গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো। এরপর ৩২ মিনিটে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে দারুণ এক গোল করে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান ভিনিসিয়ুস।
ম্যাচের পর দলের উন্নতির জায়গাগুলোও তুলে ধরেন এই উইঙ্গার।
ভিনি বলেন, ‘আমাদের আরও বেশি বল দখলে রাখতে হবে, একপাশ থেকে অন্যপাশে পাস দিয়ে খেলা সচল রাখতে হবে। কারণ অনেক সময় প্রতিপক্ষ রক্ষণে মনোযোগ দেবে এবং পাল্টা আক্রমণের সুযোগ খুঁজবে। আপাতত বেশি কিছু বলার নেই, আমাদের কাজ করে যেতে হবে কারণ পরের ম্যাচটি খুব দ্রুতই আসছে।’
পরিসংখ্যানেও দুই দলের লড়াই ছিল প্রায় সমান। ব্রাজিল ৫১ শতাংশ বলের দখল রেখে ১৩টি শট নেয়, যার ৫টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে মরক্কো ১৪টি শটের মধ্যে ৩টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়।
শুরু থেকেই মরক্কোর দ্রুতগতির আক্রমণ এবং সংগঠিত ফুটবলের সামনে অস্বস্তিতে পড়ে ব্রাজিল। গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্টরা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে, যার ফল হিসেবে আসে প্রথম গোল।
তবে ব্যক্তিগতভাবে উজ্জ্বল ছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। নিজের পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ম্যাচসেরার পুরস্কারও তুলে দেয় ফিফা। আক্রমণে দলের প্রাণ হয়ে ওঠার পাশাপাশি রক্ষণেও ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান। পুরো ম্যাচে তিনি চারবার বল রিকভার করেন, তিনটি ফাউল করেন এবং নিজে দুইবার ফাউলের শিকার হন।
গ্রুপ ‘সি’তে ব্রাজিলের পরবর্তী ম্যাচ ২০ জুন হাইতির বিপক্ষে। বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবে সেলেসাওরা।





