কাউন্টি অভিষেকে ৯ উইকেট শিকার করে আলোচনায় এসেছিলেন আগেই। এবার দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যাটে-বলে নিজের উপস্থিতি জানান দিলেন বাংলাদেশের পেসার হাসান মাহমুদ। কেন্টের হয়ে আগের ম্যাচের মতো এবারও ১১ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামেন হাসান। তবে লোয়ার অর্ডারে নেমে এবারও কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি।
৩৯ বলে ৩টি চারের সাহায্যে ২২ রানের অপরাজিত ক্যামিও ইনিংসে দলকে চারশর ঘর পেরোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই পেসার। ক্যান্টারবুরির সেন্ট লরেন্স গ্রাউন্ডে ম্যাচের প্রথম দিনে কেন্ট ৭ উইকেটে ৩৫৬ রান তোলে। দ্বিতীয় দিনে লোয়ার অর্ডারের দৃঢ়তায় তারা পৌঁছে যায় ৪১৬ রানে।
মিডলসেক্সের হয়ে ১৮ বছর বয়সী পেসার সেবাস্টিয়ান মর্গ্যানন ৫ উইকেট নেন, অভিজ্ঞ টম হেম শিকার করেন ৪ উইকেট।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় মিডলসেক্স। পাঁচ ওভারের মধ্যেই দুই ওপেনারকে হারায় তারা। এরপর আক্রমণে এসে দ্রুতই প্রভাব ফেলেন হাসান মাহমুদ। প্রথম স্পেলেই তিনি ফেরান দলনেতা লেউস দু প্লয় ও ক্যালেব ফ্যাকোনারকে, দুর্দান্ত সুইংয়ে দুজনকেই বোল্ড করেন তিনি।
৪৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে হঠাৎ চাপে পড়ে যায় মিডলসেক্স। তবে ম্যাক্স হোল্ডেন ও জো ক্র্যাকনেল জুটি গড়ে দলকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। ৮৯ রানের সেই জুটি ভাঙেন ম্যাক পার্কিনসন, পরে ফেরান সেবাস্টিয়ান মর্গ্যাননকেও।
দিনের শেষ দিকে অবশ্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে মিডলসেক্স। লেউস দু প্লয় ও জাফার গোহার মিলে গড়েন ১৮০ রানের অপরাজিত জুটি। লড়াইয়ে ফিরেও দিন শেষে চাপেই থাকে সফরকারীরা। ১৫ ওভার বল করে দিন শেষে হাসান মাহমুদের বোলিং ফিগার ৬০ রানে ২ উইকেট।
এর আগে কাউন্টির অভিষেক ম্যাচে খেলতে নেমে বল হাতে ঝলক দেখিয়েছেন হাসান মাহমুদ। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেট পেলেও দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছেন ৬ উইকেট। অ্যান্ডরসনের নেতৃত্বাধীন দলটা কার্যত হাসানের কাছেই খেই হারিয়ে ফেলেছিল।





