২০৩০ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল কোন স্টেডিয়ামে হবে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি ফিফা। তবে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ আয়োজনের দৌড়ে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে সহ-আয়োজক স্পেন ও মরক্কোর কূটনৈতিক ও ক্রীড়া-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা।
২০৩০ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। পাশাপাশি বিশ্বকাপের শতবর্ষ উপলক্ষে আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতেও কয়েকটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
ফাইনাল নিজেদের দেশে আয়োজনের দাবি জোরালোভাবে তুলেছে স্পেন। দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি রাফায়েল লুসান জানিয়েছেন, বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের অভিজ্ঞতার কারণে ফাইনাল স্পেনেই হওয়া উচিত।
স্পেনের সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে বিবেচনায় রয়েছে মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু এবং বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যু। সংস্কারের পর বার্নাব্যুতে ৮৩ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা রয়েছে। অন্যদিকে নির্মাণাধীন ক্যাম্প ন্যুর ধারণক্ষমতা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫ হাজারে উন্নীত করা হবে।
অন্যদিকে মরক্কোও ফাইনাল আয়োজনের লক্ষ্যে বড় প্রস্তুতি নিচ্ছে। কাসাব্লাঙ্কার বাইরে নির্মাণাধীন হাসান-২ স্টেডিয়ামে এক লাখ ১৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা থাকবে। প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিতব্য এই ভেন্যু সম্পন্ন হলে সেটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল স্টেডিয়াম। আগামী বছরের শেষ দিকে এর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা।
প্রকাশ্যে সতর্ক অবস্থান নিলেও নেপথ্যে তৎপর রয়েছে মরক্কো। দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ফাউজি লেকজা বলেছেন, ফাইনালের ভেন্যু নিয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি তিন আয়োজক দেশ ও ফিফার আলোচনার মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।
তবে আফ্রিকান ফুটবলের একাধিক সূত্রের দাবি, কাসাব্লাঙ্কায় বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজন নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করেছে মরক্কো।
ফাইনাল কাসাব্লাঙ্কায় হলে ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের পর দ্বিতীয়বারের মতো আফ্রিকার কোনো শহর বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের সুযোগ পাবে। অন্যদিকে স্পেনের মাটিতে সর্বশেষ বিশ্বকাপের ফাইনাল হয়েছিল ১৯৮২ সালে মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে, যেখানে পশ্চিম জার্মানিকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল ইতালি।
সূত্র: রয়টার্স





