গর্ভকালীন সময়ে মায়েদের আর্থিক সহায়তা দিতে ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র আওতায় মাতৃত্বকালীন ভাতা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মাসিক এই ভাতা পান নির্বাচিত উপকারভোগীরা। সহায়তার এই টাকা সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়।
কারা পাবেন এই ভাতা
মাতৃত্বকালীন ভাতা পেতে সাধারণভাবে যেসব শর্ত পূরণ করতে হয়—
আবেদনকারীর বয়স ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।
এটি প্রথম বা দ্বিতীয় গর্ভধারণ হতে হবে।
নির্ধারিত সময়ে ৪ থেকে ৬ মাসের গর্ভবতী হতে হবে।
বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
প্রতিবন্ধী মা, দুস্থ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা গর্ভবতীরা অগ্রাধিকার পেতে পারেন।
কত টাকা পাওয়া যায়
নির্বাচিত উপকারভোগীরা বর্তমানে ৮৫০ টাকা মাসিক ভাতা পান। যা নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়। নির্বাচিত উপকারভোগীরা সর্বোচ্চ ৩৬ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা পেতে পারেন। অর্থাৎ পুরো ৩৬ মাস মাসিক ৮৫০ টাকা করে পেলে একজন উপকারভোগী মোট ৩০ হাজার ৬০০ টাকা পাবেন।
আবেদনের জন্য যেসব কাগজ লাগবে
জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
নাগরিকত্ব সনদ
তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার গর্ভধারণ প্রত্যয়নপত্র
সহজে আবেদন করবেন যেভাবে
ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করুন অথবা অনলাইন এমআইএস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবেদন করুন।
প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র সংযুক্ত করে আবেদন জমা দিন।
স্থানীয় যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকায় নাম এলে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ভাতার অর্থ দেওয়া হবে।
ভাতা পাইয়ে দেওয়ার নামে কোনো দালালকে টাকা না দিতে সতর্ক করেছে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। একসঙ্গে কেউ অর্থ দাবি করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।





