আগামী তিন মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ সময় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপগুলোর একটি হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসাসহ যেসব স্থানে পানি জমে থাকে, সেসব জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে। একই সঙ্গে নিজ নিজ বাড়ি, প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগকে সফল করতে সারা দেশে একই সঙ্গে জনসচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি নিজেরাও যদি যার যার জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করি, তাহলে এডিস মশার বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর পথ।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা নিজ হাতে পরিষ্কার করেন। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় পানি জমার স্থান পরিষ্কার এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংসে অংশ নেন।
এর আগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার, সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. আব্দুল কুদ্দুছ, জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লবসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।





