অভিষেক চট্টোপাধ্যায়: লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন ছিল যার প্রাণ

অভিনয় ছিল তার প্রাণ। লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন নিয়ে বাঁচতেন তিনি। শুটিং করতে করতেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। অভিনেতার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকস্তব্ধ টালিউড।

নব্বইয়ের দশকে একাধিক হিট সিনেমায় অভিনয় করেছেন অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘অপরাধী’ হলেও ১৯৮৬ সালে ‘পথভোলা’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় পথচলা বাংলা সিনেমার সর্বকালের অন্যতম সুদর্শন এই অভিনেতার। এরপর অসংখ্য সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।

একের পর এক ভালো সিনেমা উপহার দিয়ে যার স্থান বাংলার দর্শকদের অন্তরে, সেই অভিনেতাই এবার চিরনিদ্রায়। নব্বইয়ের দশকে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের অন্যতম ব্যস্ত অভিনেতা ছিলেন অভিষেক। এক সময় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, তাপস পালদের সঙ্গে একসারিতে নাম উঠে আসত তার। উৎপল দত্ত, সন্ধ্যা রায়ের মতো প্রতিভাশালী অভিনেতাদের সঙ্গে পর্দায় দেখা গেছে তাকে।

বাংলা সিনেমা তো বটেই, তার সঙ্গে ছোট পর্দাতেও সাফল্যের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তিনি। দীর্ঘ বিরতি শেষে সাম্প্রতিককালে ‘খড়কুটো’ সিরিয়ালে গুনগুনের বাবার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকমহলে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পান। ১৯৬৪ সালের ৩ এপ্রিল কলকাতার বরাহনগর জন্মগ্রহণ করেছিলেন অভিষেক চট্টোপাধ্যায়।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমা হচ্ছে ‘দহন’, ‘বাড়িওয়ালি’, ‘মধুর মিলন’, ‘মায়ের আঁচল’, ‘আলো’, ‘প্রাণের চেয়েও প্রিয়’, ‘গীত সংগীত’, ‘তুফান’, ‘সুজন সখী’, ‘অমর প্রেম’, ‘সুরের আকাশে’, ‘লাঠি’, ‘সবার উপরে মা’, ‘ইন্দ্রজিৎ’, ‘সখী তুমি কার’, ‘দান প্রতিদান’, ‘ভাই আমার ভাই’, ‘মায়ার বাঁধন’, ‘আপন হল পর’ ইত্যাদি।

প্রভাতনিউজ/এনজে