সারাদেশে ডেঙ্গু ও হামের যৌথ প্রাদুর্ভাবে চিকিৎসাসেবা সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে দেশের হাসপাতালগুলো। কীটতত্ত্ববিদ ও জনস্বাস্থ্যবিদরা আশঙ্কা করছেন, এ বছর ঢাকার চেয়ে ঢাকার বাইরে, বিশেষ করে গ্রাম ও উপজেলা পর্যায়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ রাজধানীর বড় হাসপাতালগুলোতে শয্যার তুলনায় দ্বিগুণ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। ২৬০০ শয্যার ঢামেকে প্রতিদিন পাঁচ হাজারের বেশি রোগী ভর্তি থাকায় ডাক্তার ও নার্সদের ২৪ ঘণ্টা বিরামহীন সেবা দিতে হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬ হাজার ৪৫৮ জন এবং মারা গেছেন ১৯ জন। অন্যদিকে হামেও আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে।
আইইডিসিআরের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. গোলাম ছারোয়ার এবং জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. বেনজির আহমেদ জানান, প্রাক-বর্ষা জরিপে রাজশাহীসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে এডিস মশার প্রজনন সূচক উচ্চ ঝুঁকিসীমা পেরিয়ে গেছে। এখনই দেশব্যাপী মশক নিধনে ক্রাশ প্রোগ্রাম ও কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বর্ষায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়তে পারে।





