এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সহায়তা বৃদ্ধির আহ্বান ড. তিতুমীরের

স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় মসৃণ উত্তরণ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহায়তা ও সহজ শর্তে অর্থায়ন আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে এলডিসি গ্রুপ।

গতকাল সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গ্রুপের পক্ষে এ দাবি তোলেন।

ড. তিতুমীর জানান, ২০৩০ সালের সময়সীমা ঘনিয়ে আসলেও জলবায়ু পরিবর্তন, ঋণের বোঝা এবং রাজস্ব সক্ষমতার অভাবে এলডিসিগুলোর এসডিজি অর্জন ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে ১৪টি দেশ উত্তরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ জটিল পরিস্থিতির কারণে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ ও নেপাল তাদের উত্তরণ-প্রস্তুতি পর্ব ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত তিন বছর বাড়ানোর আবেদন করেছে।

সমস্যা সমাধানে তিনি জরুরি ভিত্তিতে পাঁচটি অগ্রাধিকারমূলক প্রস্তাব তুলে ধরেন:

সহজ শর্তে অর্থায়ন: ঋণঝুঁকি মোকাবিলায় সহজ শর্তে উন্নয়ন অর্থায়ন ও মৌলিক খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

আর্থিক কাঠামো সংস্কার: এলডিসিগুলোর দুর্বলতা বিবেচনায় ন্যায্য বৈশ্বিক অর্থায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

জলবায়ু তহবিল: ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ তহবিলের জন্য দ্রুত ও পর্যাপ্ত জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ।

বাজার সুবিধা: আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার সংরক্ষণ ও সহজ ‘রুলস অব অরিজিন’ নিশ্চিত করা।

প্রযুক্তি হস্তান্তর: ডিজিটাল বৈষম্য কমাতে শক্তিশালী বৈশ্বিক সহযোগিতা ও প্রযুক্তি হস্তান্তর।

আগামী বছর কাতারের দোহায় অনুষ্ঠেয় দোহা কর্মসূচির মধ্য মেয়াদি পর্যালোচনায় অংশীদারদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ আন্তর্জাতিক সংহতি ও বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার একটি বড় পরীক্ষা।