ব্যাংকারদের শৃঙ্খলাভঙ্গের মামলা দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

ব্যাংক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজের অভিযোগ ও শৃঙ্খলামূলক মামলা দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। চাকরির বিধি মোতাবেক এই মামলা বা অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রবিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধান ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছে।

সার্কুলারে (বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং-২৪) জানানো হয়, ২০০৫ সালের ৪ মে জারি করা বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নম্বর ছয়ের মাধ্যমে ব্যাংকিংখাতে মানবসম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলাপরিপন্থি কার্যকলাপরোধে এক ব্যাংকের কর্মী অন্য ব্যাংকে নিয়োগের জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাবলি দেওয়া হয়েছিল।

বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংকে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ওঠা শৃঙ্খলাপরিপন্থি অভিযোগ বা মামলার সময়সীমা ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫’র সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্দেশ্যে ২০০৫ সালের ওই সার্কুলারের ২ (খ) অনুচ্ছেদ সংশোধন করে নতুন অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

নতুন সংশোধিত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘যদি কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারীর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক কেস বিবেচনাধীন থাকে সেক্ষেত্রে দুই মাসের মধ্যে চাকরি বিধি মোতাবেক কেসটি নিষ্পত্তিযোগ্য হবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, উল্লেখিত সংশোধন ব্যতীত আগের সার্কুলারের অন্যান্য নির্দেশনাগুলো অপরিবর্তিত থাকবে। ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নতুন নির্দেশ জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং তা অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।