যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে প্রাথমিক সমঝোতার ঘোষণার পর সোমবার (১৫ জুন) ফ্রান্সে শুরু হচ্ছে জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। ১৫ থেকে ১৭ জুন অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে ইরান পরিস্থিতি, ইউক্রেন যুদ্ধ, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতা এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের সরবরাহ নিশ্চিতকরণ নিয়ে আলোচনা করবেন বিশ্বনেতারা।
সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। সম্মেলনের ফাঁকে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের নেতাদের পাশাপাশি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গেও বৈঠক করবেন।
জি৭ নেতারা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার বিস্তারিত জানতে আগ্রহী। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে এ সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কথা থাকলেও চুক্তির শর্তাবলি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি শুক্রবার থেকে পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধও প্রত্যাহার করা হবে।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, সোমবার রাত থেকে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ ও সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে। এছাড়া ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির সময় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ আরও বিস্তৃত চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলবে বলে জানিয়েছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর জন্যও এ সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতা মোকাবিলার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে। এ লক্ষ্যে ব্রাজিল, ভারত, কেনিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াকেও আলোচনায় অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।





