অনলাইনে শিশুদের নিরাপত্তা জোরদারে সামাজিক যোগামাধ্যম নিষিদ্ধ করছে

“অনলাইনে শিশুদের কীভাবে নিরাপদ রাখা যায়, সে বিষয়টি সবচেয়ে বড় বিতর্কগুলোর একটি। এটি একটি সিদ্ধান্ত যেখানে আমরা দেশের পরিবারগুলোর পাশে থাকবো, নাকি এমন একটি বর্তমান ব্যবস্থা বজায় রাখবো যা কাজ করছে না।”— রয়টার্সকে জানান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

স্টারমার জানান, তিনি শিশুদের নিরাপত্তা ও সুখের প্রশ্নে কোনো আপস করতে প্রস্তুত নন।

এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য ক্ষতিকর কনটেন্ট এবং অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এ সিদ্ধান্তে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ারও ঘোষণা দেন স্টারমার।

সানডে টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সম্ভাব্য এই নিষেধাজ্ঞা টিকটক, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, এক্স, ইউটিউব, স্ন্যাপচ্যাট, থ্রেডস, টুইচ, কিক এবং রেডিটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

এর আগে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ব্রাজিল ও ইন্দোনেশিয়া শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সভিত্তিক বিধিনিষেধ বা শর্ত আরোপ করেছে কিংবা এ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন করেছে।

এ ছাড়া ফ্রান্স, স্পেন, ডেনমার্ক, থাইল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশ একই ধরনের উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে বা তা পর্যালোচনা করছে।

এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জনসাধারণের মতামত নেন। এতে অভিভাবক, প্রযুক্তি খাতের প্রতিনিধিসহ শিশুদের কাছ থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার মতামত জমা পড়ে।