দেশজুড়ে প্রয়োজনীয় জ্বালানি, গ্যাস, তেল ও কয়লার তীব্র সংকটে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। এর ফলে শহর থেকে গ্রাম সর্বত্রই এখন সমানতালে লোডশেডিং হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গ্রামাঞ্চলের পাশাপাশি এখন রাজধানীতেও দিনে ও গভীর রাতে লাগাতার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-এর দৈনিক পরিচালন প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে জ্বালানিসংকটের কারণে দেশের ৫৪টি গ্যাস ও তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি কয়লাসংকটের কারণে আদানি ও আরএনপিএল-এর মতো বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে লোডশেডিং পরিস্থিতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। দুর্ভোগ বেড়েছে গ্রাহকের।
গত কয়েকদিন দেশজুড়ে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল বেলা ৩টায় দেশে বিদ্যুতের রেকর্ড ৩ হাজার ৬৯২ মেগাওয়াটের লোডশেডিং হয়। ওই সময়ে ১৬ হাজার ৩৬০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয় মাত্র ১২ হাজার ৬৬৮ মেগাওয়াট।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলেন, গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিংয়ের চাপ কমাতে এখন রাজধানী ঢাকাতেও লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে। ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টের অংশ হিসেবে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদিও তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো বেশ ব্যয়বহুল। বর্তমানে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় দিনে ও রাতে ২-৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে।





