স্বস্তি ফিরছে না বাজারে

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে স্বস্তি মিলছে না। এ মাসে কয়েক দফায় টানা বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতি প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ২৩০-২৫০ টাকায় পৌঁছেছে।

পিঁয়াজের দামও কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। টম্যাটো বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকায়। পাশাপাশি বেশির ভাগ সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী। অন্যদিকে মুরগির বাজারেও স্বস্তি ফেরেনি। আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগি।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন জেলায় ফসলের ক্ষতি হওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমেছে। পাশাপাশি পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কাঁচা মরিচ, পিঁয়াজ ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের দাম বেড়েছে।

গতকাল মিরপুর-১১ ও মুসলিম কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, সবজির মধ্যে পটোল ৬০-৭০, ঢ্যাঁড়শ ৫০-৬০, ঝিঙা ৫০-৬০, চিচিঙ্গা, ধুন্ধল ৬০-৭০, বেগুন ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া করলা ৬০, কাঁকরোল ৬০-৮০, আলু ৩০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। মাঝারি সাইজের লাউ পিসপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকায়। এ ছাড়া পেঁপে ৫০-৬০ ও মানভেদে লেবু হালি ২০-২৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৯০-২০০ ও সোনালি মুরগি ৩২০-৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া লাল লেয়ার মুরগি ৩৭০ এবং দেশি মুরগি ৬৮০-৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে ডিমের দাম এখনো চড়া। ফার্মের লাল ডিম ডজন ১৪০ ও সাদা ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া হাঁসের ডিম ডজন ২২০-২৩০, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

মাছের মধ্যে রুই ও কাতলা কেজিপ্রতি ৩০০-৩৫০, পাঙাশ ১৮০-২০০ এবং তেলাপিয়া ১৮০-২২০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। চিংড়ির দাম কেজিপ্রতি ৬৫০-৭৫০ টাকা। মাঝারি আকারের কই মাছ ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

টেংরা ৫০০-৭০০, কাঁচকি মাছ ৪০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। চিকন মসুর ডাল কেজিপ্রতি ১৬০-১৭০ এবং মোটা মসুর ডাল ১০০-১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় মুগ ডাল ১৪০, ছোট মুগ ডাল ১৭০, খেসারি ডাল ১০০, বুটের ডাল ১১৫ এবং মাষকলাই ডাল ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চালের দামও ঊর্ধ্বমুখী।

মাঝারি মানের চালের কেজি ৬৫ এবং মোটা চাল ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা, মাঝারি মানের পাইজাম ৫৮-৬৫ টাকা এবং স্বর্ণা ও চায়না ইরি চাল ৫৫-৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মিনিকেটের মধ্যে প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল ৮৫-৮৮ ও রশিদ মিনিকেটের দাম ৭৮-৮০ টাকায় কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর দামি মিনিকেট মোজাম্মেল বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯৫ টাকায়।